• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
সন্তানের সাফল্যে আরটিভি গর্বিত সম্মাননা পেলেন ৫ বাবা
ঈদে ঘরে ফেরা / ‘সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমবে’
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। কর্তৃপক্ষের ধারণা এবার ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ মানুষ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যাবে। এতো মানুষের চাপ মোকাবিলা করা কঠিন। তবে ঈদযাত্রায় সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে। এ ছাড়া একটা আধুনিক মহাসড়কের রূপ রেখা কি হতে পারে তার উদাহরণ এখন বাহিরে না দেশের ভিতরেই রয়েছে। আর তাই আমাদের চিন্তা করে ঠিক করা দরকার সড়ক ব্যবস্থা কেমন হতে পারে।    বুধবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদে ঘরে ফেরা’ অনুষ্ঠানে আলোচকরা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সৈয়দ আশিক রহমান। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল, নগরবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং গণপরিবহন ও দুর্ঘটনা বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান। অনুষ্ঠানে বুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, আমাদের কারিগরি সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। কারণ আমরা কিন্তু এখন চিহ্নিত করতে পরছি যে, আমাদের কোথায় কোথায় যানজটের শঙ্কা আছে। এবারও কিন্তু চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ১৫৫টা পয়েন্টে যানজটের শঙ্কা করা হচ্ছে। গত এক যুগে পরিবহনের জন্য সড়ক অবকাঠামোর একটা ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঈদের অল্প সময়ে যে চাপটা আসে, এই চাপটা নেওয়ার পরিবহনের যে সক্ষমতা থাকার কথা সে সক্ষমতার জায়গাটাতে আমাদের দুর্বলতা আছে। ঈদে আমাদের চাহিদার তুলনায় জোগান (পরিবহন) কম। তিনি বলেন, কোরবানি ঈদে রোজার ঈদের তুলনায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ মানুষের যে একটা গণজোয়ার ঢাকা থেকে বের হয়। অপরদিকে কোরবানি ঈদে পশুবাহী ট্রাকের জোয়ারও কিন্তু ঢাকার দিকে ঢুকবে। রোজার ঈদের আমরা কিন্তু একমুখি জোয়ার দেখি এবার কিন্তু উভয়মুখি। এ ছাড়া প্রতিবছরই ঈদের আগে বলা হয়, লক্কড়-ঝক্কড় আনফিট গাড়ি মহাসড়কে নামতে দেওয়া হবে না। ঢাকা শহরে আনফিট গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য যে অভিযান চালানোর কথা ছিলো, সেটা কিন্তু আমরা দেখিনি। আমাদের হিসেবে ৩০ লাখ লোক বের হবে তার বিপরীতে ৮ লাখের জোগান আছে। বাকি যে ২২ লাখ লোক আছে তারা কি করবে? বাধ্য হয়ে তারা ট্রেনের ছাদে, পশুবাহী ট্রাকে করে কিংবা বাসের ছাদে করে যাবে। অর্থাৎ ঝুকি নিয়ে তারা বাড়ি ফিরবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, গতবার চন্দ্রায় কিছুটা জ্যাম ছিলো। রাতভর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেটা ম্যানেজ করেছে। এবার আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে ভোগড়া মোড়। কারণ পশুবাহী সব গাড়ি মদনপুর হয়ে ভোগড়া দিয়ে ঢুকবে, আবার উত্তর বঙ্গের গাড়িগুলো ভোগড়া হয়ে যাবে। এ জায়গাটিতে যানজট নিরসনে আমার একাধিক বৈঠক করেছি।  তিনি বলেন, আবহাওয়া অফিস থেকে টানা বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। বৃষ্টি হয়ে আমাদের পরিকল্পনায় একটু সমস্যা হতে পারে। যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তার অনেকগুলো বাস্তবায়ন নাও হতে পারে।  তিনি আরও বলেন, রাস্তার ওপর ট্রাক থামিয়ে পশু নামানো হচ্ছে, এটা খুব দুঃখজনক। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাস্তার দিকে গরুর হাটের মুখ থাকবে না, কিন্তু করে ফেলে। আমাদের কাছে এসব অভিযোগ আসছে, এ ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে হাট যখন শুরু হয়ে যায় তখন জনগণও মানে না, ইজারাদারেরও কিছু করার থাকে না। অনেক জায়গায় ভালো ব্যবস্থাপনা হচ্ছে। কয়েকটা জেলা পারলে অন্যেরা কেনো পারবে না। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে। এজন্য আমি সবার সহযোগিতা চাই। সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, আমি এক কথায় বলবো- ঈদযাত্রায় ভোগান্তি মুক্ত করতে পারি না এ জন্য যে, ভোগান্তি মুক্ত করার দায়িত্ব যাদের তারা এ দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করছেন না। এই যে প্রস্তুতি নিয়ে উনারা কথা বলেন। প্রস্তুতি থাকে না কোন বছর। দায়িত্বপ্রাপ্ত যারা আছেন তারা কোনো একটা বছর কি বলেছেন আমরা এ বছর প্রস্ততি ছাড়া আছি। এত এত প্রস্তুতি নিয়ে কি হচ্ছে। আমার মনে হয় যারা দায়িত্বে আছেন তারা অবহেলা করছেন না হয় তারা অযোগ্য। অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ঈদের সময় আমাদের যে চাহিদা থাকে তার ২০ থেকে ২২ শতাংশ আমরা বহন করতে পারি। অর্থাৎ আমি ৭৮ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ বহন করতে পারবো না। আমাদের সে সংখ্যক বগি বা ট্রেন নেই।  তিনি বলেন, উত্তর বঙ্গের দিকে আমাদের যেসব ট্রেন যায় অনেক ক্ষেত্রে সেসব ট্রেন এক ঘণ্টাও রেস্ট পায় না। একটা ট্রেন পঞ্চগড় যেতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে আধা ঘণ্টাও থাকতে পারে না কোনো রকম পরিস্কার করে ফিরতে হয়। এ ছাড়া আজ থেকে ঈদের বিশেষ ট্রেন চালু হয়েছে, সুতরাং আমরা এ সমস্ত ট্রেনের কোনোটায় একটা কোনোটায় দুইটা বগি অতিরিক্ত লাগিয়েছি। এসব বগি লাগাতে গিয়ে এখানে আমাদের কিছুটা সময় ব্যয় হচ্ছে। নগরবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, যানজটে যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত সেগুলো অপসারণে আমরা কেনো কার্যত ব্যর্থ হচ্ছি। মহাসড়কের যে সংজ্ঞা এবং মহাসড়কের যে আইন সেটা বাস্তবায়নে সড়ক ও জনপথ বছরকে বছর ব্যর্থ হচ্ছে। ২৩১ কিলোমিটারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৫৩৯টা জায়গায় বাজার রয়েছে, মহাসড়কের পাশে। অথচ মহাসড়কের আইনে এটা থাকার কোনো সুযোগ নাই। আইন বলছে দু’পাশে ৫০ মিটারের মধ্যে কোনো ধরনের কাঠামো থাকবে না। আমি মনে করি এটা সমাধান করা ক্ষেত্রে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে।  তিনি বলেন, প্রতিবছর যে হাটের ঘটনা, এটা তো এমন না যে এ বছর প্রথম। এটা নিয়ে আমাদের বছরের পর বছর যদি ভাবতে হয়। তাহলে ওই ভাবনাগুলা এমনভাবে করা দরকার। যেমন, ঢাকা-মওয়া মহাসড়ক তৈরি করেছি আমরা। একটা আধুনিক মহাসড়কের রূপ রেখা কি হতে পারে তার উদাহরণ এখন বাহিরে না দেশের ভিতরেই রয়েছে। আর তাই আমাদের চিন্তা করে ঠিক করা দরকার সড়ক ব্যবস্থা কেমন হতে পারে।   ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, ঈদ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তার মধ্যে গরুর হাট নিয়ে চ্যালেঞ্জ টা বেশি। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মিলে এবার ২০টি গরুর হাট রয়েছে। প্রতিটি হাটে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে আমাদের চেষ্টা থাকবে যেন, সহজভাবে কোনো জ্যাম ছাড়াই গাড়িগুলো ঢাকা থেকে বের হতে পারে। এর জন্য অতীতের সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করে আমরা কিছু সমাধান বের করার চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন জায়গায় কাজ চলছে। সবকিছু মাথায় রেখেই আমরা আমাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছি যেন সব গাড়িকে আমরা সহজে ঢাকা থেকে বের হতে দিতে পারি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি ঢাকার দুই সিটিতে প্রায় ২৫ লাখ পশু কোরবানি হয়। এ ঘটনাটা একদিনের। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিন্তু বলা আছে একটি নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি দেওয়ার কথা। নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি হলে ময়লা পরিস্কার করতে আমাদের কিন্তু ৮ ঘণ্টা সময়ও লাগে না। এবার কিন্তু বৃষ্টি আমাদের জন্য বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। তবে এবার আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।   
আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক পেলেন যারা
২৬ জনের পরিবার থেকে যেভাবে সন্তানদের পড়ালেখা করিয়েছেন নাজমিন হক
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পাইলট হয়েছি মায়ের উৎসাহে: সামিহা তাসনিম
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন 
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন
রোববার, ১২ মে ২০২৪, ২৯ বৈশাখ ১৪৩১। একনজরে জেনে নিন আরটিভির আজকের আয়োজন—  সকাল ৯টায় লাইভ টকশো ‘আজ পত্রিকায়’।  সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ‘সকালের সংবাদ’।  সকাল ১০টা ১০ মিনিট ‘মায়ের অধিকার’। অভিনয় করেছেন- সালমান শাহ্, শাবনাজ প্রমুখ।  বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘অন্বেষণ’।  সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে লাইভ: ইসলামী আলোচনা অনুষ্ঠান ‘প্রশ্ন করুন’। প্রযোজনা- এম শামসুদ্দিন মিঠু। রাত ৮টায় একক নাটক ‘বিকেল বেলার গল্প’। অভিনয় করেছেন- তৌসিফ, সুবর্ণা মুস্তাফা, তারিক আনাম খান প্রমুখ।  রাত ৯টা ২০ মিনিটে শুক্র, শনি ও রবিবার ধারাবাহিক নাটক- ‘ট্রাফিক সিগনাল’। পরিচালক- ইকবাল মাহমুদ বাবুল।  অভিনয় করেছেন- আখম হাসান, সাইদ বাবু, মোহায়রা হিমু, নাফিজা, শিরিন আলম, প্রাণরায়, আমিরুল হক চৌধুরী, চিত্রলেখা গুহ প্রমুখ। রাত ১০টায়: প্রতি শুক্র, শনি, রবি, সোমবার ধারাবাহিক নাটক ‘চিটার এন্ড জেন্টেলম্যান’।  রচনা ও পরিচালনা- সঞ্জিত সরকার।  অভিনয় করেছেন- মীর সাব্বির, নাদিয়া আহমেদ, আখম হাসান, উর্মিলা শ্রাবন্তি কর, সাজু খাদেম, নাবিলা বিনতে ইসলাম, আরফান আহমেদ, প্রাণ রায়, আইরিন তানি, ডা. এজাজ, তাহমিনা সুলতানা মৌ, ফারুক আহম্মেদ, ওলিউল হক রুমি, রিমি করিম, শ্যামল জাকারিয়া, তারেক স্বপন, আল মনসুর, আব্দুল্লা রানা, মিলন ভট্ট, হোসনে আরা পুতুল, শফিক খান দিলু, বিনয় ভদ্র, মিলি বাসার, আমিন আজাদ, পারভেজ আক্তার, মতিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, শেখ মাহবুবুর রহমান, অনামিকা, সিলভি, হায়দার কবির মিথুন, রিমো রোজা খন্দকার ও তন্ময় সোহেল প্রমুখ।  রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ‘রাতের সংবাদ’।  রাত ১১টা ২০ মিনিটে টকশো ‘আওয়ার ডেমোক্রেসি’। রাত ১২টা ৫ মিনিটে টকশো ‘বিজনেস টক’।  রাত ১টায় ‘মধ্যরাতের সংবাদ’ 
নির্ভীক সম্মাননার মঞ্চ মাতালেন তানজিন তিশা ও শখ
আরটিভির উদ্যোগে ও আর আর কাবেল এর সহযোগিতায় সম্প্রতি প্রদান করা হয়েছে ‘নির্ভীক সম্মাননা ২০২৪’ পদক। এই অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও আনিকা কবির শখ। অনুষ্ঠানটি শনিবার (৪ মে) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে আরটিভিতে সম্প্রচার হয় । এতে ‘তীরহারা ঐ ঢেউয়ের সাগর’ গানে নৃত্য পরিবেশন করেন আনিকা কবির শখ ও নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ। কোরিওগ্রাফি করেছেন কবিরুল ইসলাম রতন। এছাড়া ‘দে দোল দোলে’ গানে নৃত্য পরিবেশন করেন তানজিন তিশা ও সোহাগ ডান্স ট্রুপ। কোরিগ্রাফি করেছেন ইভান শাহরিয়ার সোহাগ।  এর আগে অগ্নিকাণ্ড কিংবা যে কোন দুর্ঘটনায় মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় যারা নিজের জীবন বাজি রেখে উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন তাদের মধ্য থেকে ৬ অগ্নিসেনাকে ‘নির্ভীক সম্মাননা ২০২৪’ পদক প্রদান করা হয়।  পদকপ্রাপ্তরা হলেন- সাভার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন এর উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, পিএন- ১৩৯৯; সাভার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন এর উপসহকারী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন, পিএন-২০৫৭; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঢাকার ফায়ারফাইটার মো. মোকলেছুর রহমান, পিএন-১২৫৯; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিন প্রধান, পিএন-৮৪৬৬; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের ড্রাইভার মো. মহিউদ্দিন, পিএন-৩১৬১; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স লালমনিরহাটের ডুবুরি মো. গোলাম রওশন, পিএন-৯৫২৭। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান।  অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন , বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগ) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম, পিএসসি, আর আর ইম্পিরিয়াল ইলেট্রিক্যালস লিমিটেডের পরিচালক ও সিইও মাহবুব হোসেন মৃধা বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ও মনোনীতদেরকে পদক প্রদান করেন স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্চসারথি আতাউর রহমান; মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী লীনু বিল্লাহ; সংগীত ব্যক্তিত্ব খুরশিদ আলম; আর আর-ইম্পিরিয়াল ইলেট্রিক্যালস লিঃ -এর ডিরেক্টর, এ.এন.এম. মনজুর মোর্শেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘আরটিভি নির্ভীক সম্মাননা ২০২৪’এর প্রযোজক শিবলী জিয়া, গ্রন্থনা করেছেন সুজন আহমেদ, উপস্থাপনায় ছিলেন ইন্দ্রাণী। মনোজ্ঞ সুন্দর এই অনুষ্ঠানটির টাইটেল স্পন্সর ছিল আর আর ইম্পিরিয়াল ইলেকট্রিক্যালস লি. (আর আর কাবেল), অনলাইন পার্টনার আরটিভি অনলাইন এবং ম্যাগাজিন পার্টনার: মান্থলি লুক-এ্যাট-মি। ওটিটি পার্টনার  আরটিভি প্লাস।
‘আলোকিত কোরআন’ চ্যাম্পিয়ন হাফেজ ইসমাইল
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আরটিভি আয়োজিত কোরআনে হাফেজদের প্রতিযোগিতামূলক রিয়্যালিটি শো আলোকিত কোরআন-২০২৪ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জামালপুরের মো. ইসমাঈল হোসেন। এবার ১৪তম বারের মতো আয়োজিত হয়েছে আর্ন্তজাতিক মানের হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ‘জিপিএইচ ইস্পাত আলোকিত কোরআন-২০২৪।’ রোববার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ১৪তম এ আয়োজনের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানটি আরটিভির পর্দায় সম্প্রচার হয়। দেশসেরা হাফেজ অন্বেষণে ১৪ বছর ধরে পবিত্র রমজান মাসে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় রিয়েলিটি শো আলোকিত কোরআন আয়োজন করে আসছে জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি। এবারের আসরে হাজার হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ের মুকুট ওঠে জামালপুরের ইসমাইল হোসেনের মাথায়। তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও তিন লাখ টাকার চেকের রেপ্লিকা তুলে দেন অতিথিরা। প্রথম রানার-আপ সিলেটের আবদুর রহমান জামির হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও দুই লাখ টাকার চেকের রেপ্লিকা এবং দ্বিতীয় রানার-আপ নারায়ণগঞ্জের আবু তালহার হাতে এক লাখ টাকার চেকের রেপ্লিকা ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। মাদারীপুরের সাইফুল ইসলাম ফারহান ও কক্সবাজারের আইয়ুব বিন সাইদ হন যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম। ৯৫, তেজগাঁও বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, আজ আরটিভি পরিবারের জন্য একটি আনন্দঘন দিন, কারণ এখানে আজ সর্বকালের সেরা এবং সার্বজনীন মহাগ্রন্থ পবিত্র কোরআনের বাহক আলোকিত সব কোরআনের হাফেজগণ উপস্থিত হয়েছেন। আর এইসব আলোকিত মানুষের কারণেই পবিত্র কোরআন চর্চায় আরটিভির এই আয়োজন সময়ের সেরা আয়োজন হয়ে উঠেছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, আলোকিত কোরআন ২০২৪-এর ১৪তম আসরে পবিত্র রমজান মাসব্যাপী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান হাফেজে কোরআনকে আরটিভি আমাদের সামনে হাজির করেছে, যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ইসলাম প্রসারের পথকে আরও আলোকিত করবে। আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু বলেন, বিগত ১৪ বছরে  আরটিভির এই আয়োজন আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় একটু একটু করে এগিয়েছে। দেশ ছাড়িয়ে তাই এই আয়োজনের জনপ্রিয়তা আজ বিশ্বব্যাপী। আরটিভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউব ও ফেজবুক পেজে মানুষের ভালোবাসা ও মন্তব্যগুলো তার অন্যতম প্রমাণ। এই আয়োজনের সকল বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীর জন্য আমার পক্ষ থেকে মোবারকবাদ। ধন্যবাদ সকল ওস্তাদ ও আলেম সমাজকে, ধন্যবাদ আমাদের দর্শকদের যারা বরাবরই আমাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আছেন। উক্ত আয়োজনে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানের পাশাপাশি মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেন আরটিভির পরিচালক শামসুল আলম সুমন, জিপিএইচ ইস্পাত-এর জেনারেল ম্যানেজার  মো. মামুন কবির, আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর  মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। উল্লেখ্য, দেশব্যাপী আরটিভির ১৪তম হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্ব শুরু হয় দেশের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সহস্রাধিক প্রতিযোগী থেকে অডিশনের মাধ্যমে। সেই অডিশনে দুইশয়ের অধিক সেরা হাফেজকে বাছাই করে আমন্ত্রণ জানানো হয় বিচারিক অডিশনের জন্য। রাজধানী ঢাকার ৯৫ তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে চূড়ান্ত অডিশনের মাধ্যমে বাছাই করা হয় সেরা ৩০ জন প্রতিযোগী হাফেজকে। তাদের নিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন। মাসব্যাপী আয়োজনে প্রতিযোগী হাফেজদের তিলাওয়াতকে মূল্যায়ন করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রখ্যাত ক্বারী আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিচারক হাফেজ ক্বারী মো. নাজমুল হোসাইন। বিচারক হিসেবে ছিলেন- আবুধাবী থেকে আগত মসজিদুল ওবায়েত মো আব্দুল্লাহ আল কায়োবি আল আইন, আবুধাবীর ইমাম প্রখ্যাত হাফেজ কারি আজহারুল ইসলাম ও অস্ট্রিয়া থেকে আগত মিশরের আল আযহার থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা অস্ট্রিয়ার মসজিদুল হিদায়ার ইমাম ও খতিব অধ্যাপক শায়খ আবদুল মতিন আল আজহারী। অনুষ্ঠান বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মো. শামসুদ্দিন মিঠুর নির্বাহী প্রযোজনায় গ্র্যান্ড ফিনালে আয়োজনের উপস্থাপনায় ছিলেন মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ। টাইটেল স্পন্সর জিপিএইচ ইস্পাত। পাওয়ার্ড বাই আরএফএল পাইপ এন্ড ফিটিংস। সহযোগিতায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, স্মার্ট একটিভ সিনথেটিক কালার পেস্ট। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিল কিউএস মাল্টিমিডিয়া।
শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন ১৬ 
শুরু হচ্ছে শিশুদের জনপ্রিয় শিক্ষা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৬। নতুন এই মৌসুমে হালুম, টুকটুকি, ইকরি, শিকু ও জুলিয়া হাজির হবে নতুন মজার সব গল্প নিয়ে। আর তাদের সঙ্গে এই সিজনে যুক্ত হবে নতুন আরেক বন্ধু আমিরা। আমিরা চরিত্রটি সিসিমপুরে বিশেষ সংযোজন। ইউএসএআইডি বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত নতুন এই সিজনের স্লোগান- ‘১৫ শেষে ১৬ আসে, থাকবো সবাই সবার পাশে’।  মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সিসিমপুরের সিজন-১৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ ও ইউএসএআইডি’র মিশন ডিরেক্টর রিড এশলিম্যান। এ সময় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, আরটিভি এটা দায়িত্ব মনে করে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শিশুদের মনের আকাঙ্ক্ষা ও উৎসাস ধরে রাখার জন্য ভবিষ্যতেও সিসিমপুরের সঙ্গে থাকবে আরটিভি।  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ বলেন, সিসিমপুর বাংলাদেশের ব্যাপক সফল প্রজেক্ট। এটি শিশুকে উৎসাহিত করবে। শিশুর বৃদ্ধি বিকাশে সহায়তা করবে। নতুন শিক্ষা কারিকুলামের যে ডাইমেনশন সেটা বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। ইউএসএআইডি’র মিশন ডিরেক্টর রিড এশলিম্যান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি গর্বিত সিসিমপুরের সঙ্গে থাকতে পেরে।  সিসিম ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, মানুষের যে কতটা ভালোবাসা সিসিমপুর পেয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। এর জনপ্রিয়তা কতখানি তা বইমেলা গেলে বুঝতে পারবেন এটা কতটা জনপ্রিয়। সবাইকে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া- এই বিষয় দুটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে সিসিমপুরের ১৬তম মৌসুম। এছাড়া মজার মজার গল্পের মাধ্যমে প্রাক-গণিত, প্রাক-পঠন, অটিজম, পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব, বিশ্লেষণী চিন্তা-ভাবনা, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সংস্কারকে জয় করা এবং ভিন্ন ভিন্ন ভাবপ্রকাশের উপায়কে সম্মান দেখানোর মতো বিষয়গুলোকে তুলে ধরা হবে। থাকবে গণিত, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিজ্ঞান নিয়ে দারুণ সব অ্যানিমেশন। আর শিশুদের নিয়ে লাইভ অ্যাকশন ফিল্ম। এছাড়া ‘ইকরির সাথে বর্ণ চেনা’ এবং ‘টুকটুকির সঙ্গে সংখ্যা চেনা’র প্রতিটি পর্বে ইকরি একটি করে বর্ণ এবং টুকটুকি একটি করে সংখ্যা চেনাবে।  ১৬তম সিজনের পর্বগুলো বর্ণনামূলক, ‘টুকটুকির বানিয়ে খেলি’ এবং ‘হালুমের তুমিও পারো’ এই তিন ধরনের ফরমেটে তৈরি। এবারের পর্বগুলোতে সিসিমপুরের বন্ধু হালুম, টুকটুকি, ইকরি, শিকুর সাথে নতুন বন্ধু জুলিয়া ছাড়াও অংশ নিয়েছে আমিরা। এছাড়া থাকছে প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক এবং আদিবাসী শিশুরাও। আর সিসিমপুরের নিয়মিত অন্যান্য চরিত্ররা তো থাকছেই। এই সিজনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কিছু পর্বে ব্যবহার করা হয়েছে ইশারা ভাষা।  ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত ‘সিসিমপুর’ ২০০৫ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিশু বিকাশ কার্যক্রমের আওতায় ‘সর্বত্র শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’ এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে সহায়তা করছে ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে সহায়তা করছে ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়’। গত ১৮ বছরে ৭শটি ভিডিও এপিসোড তৈরি ও টেলিভিশনে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে সিসিমপুর।   রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বেঙ্গল স্টুডিও মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নতুন সিজনের উদ্বোধনী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউএসএআইডি বাংলাদেশ-এর ডেপুটি মিশন ডিরেক্টর র‌্যান্ডি আলী, শিক্ষা অফিস পরিচালক সোনিয়া রেনল্ডস্ কুপার, এশিয়াটিকের কো-চেয়ারম্যান সারা যাকের, বিটিভির পরিচালক জগদীশ এষ, আরটিভি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান এবং ‘ইউএসএআইডি সিসিমপুর’ প্রজেক্টের চিফ অব পার্টি মোহাম্মদ শাহ আলমসহ অনেক গুণীজন। সঙ্গে ছিল সিসিমপুরের বন্ধু বাহাদুর, ইকরি, শিকু, টুকটুকি, হালুম, জুলিয়া ও নতুন বন্ধু আমিরা।