• ঢাকা শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৬

ভোটের হাওয়া: ২ ও ৩

আ.লীগ-মহাজোটে হেভিওয়েট প্রার্থী, বিএনপিতে একাধিক

শেখ হাসান বেলাল, কুষ্টিয়া
|  ২২ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪৬ | আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৮, ১০:০৮
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কুষ্টিয়ার আসনগুলোও সরগরম উঠে উঠেছে। বিশেষ করে কুষ্টিয়া-২ ও ৩ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী হাসানুল হক ইনু ও মাহবুব উল আলম হানিফের দিকে দৃষ্টি সবার। প্রভাবশালী এ দু’প্রার্থী সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন একাধিক নেতা। তবে সবার আগে নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ দেখতে চান তারা। 

কুষ্টিয়ার মিরপুর-ভেড়ামারা উপজেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসন। একসময়ে বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। আসনটিতে আওয়ামী লীগ ও জাসদ নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধের কথা শোনা গেলেও এবারো মহাজোটের প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন চাইবেন হাসানুল হক ইনু। প্রতিনিয়ত এলাকায় সভা সেমিনারসহ রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মসূচিতে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখছেন তিনি।

western কুষ্টিয়া-২ এর সংসদ সদস্য ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, অন্ধকার থেকে সন্ত্রাস থেকে দশ বছরে মিরপুর-ভেড়ামারাকে উদ্ধার করে সকল ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অনেক রাস্তা তৈরি করেছি। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আমি এখানে নির্বাচন করবো।

বিএনপিতে শোনা যাচ্ছে একাধিক প্রার্থীর নাম। তবে নির্বাচনী মাঠে তাদের তৎপরতা নেই।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শহীদুল বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষ মার্কা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমি খুবই সারা পাচ্ছি। এখানে জনশক্তি এবং জনবল দুটোতেই অন্যদের যাইতে আমি এগিয়ে আছি। 

এদিকে সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া-৩ আসনে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৬০ হাজার। বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। প্রভাবশালী এ নেতা এবারো আসনটিতে প্রার্থী হবেন। সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তিনি। 

মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, মাঠ পর্যায়ে যে সমস্ত ব্যক্তি জনগণের কাছে সবচেয় গ্রহণযোগ্য, নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণ যোগ্য। এরকম প্রার্থীদেরকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দিবে।

আসনটি আওয়ামী লীগের হয়ে ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম, অর্থনীতিবিদ ডক্টর আবুল রারাকাতও মনোনয়ন চাইতে পারেন। 
বিএনপির হয়ে মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় শোনা যাচ্ছে একাধিক ব্যক্তির নাম। মনোনয়ন পেতে সক্রিয় জাতীয় পার্টির নেতারাও।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সোহরার উদ্দিন বলেন, জনগণের অধিকার ও সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা আবারও একটি দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলবো।

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী নাফিজ আহমেদ খান বলেন, ৩০০ আসনে নির্বাচন হলে কুষ্টিয়া থেকে আমাকে ইতোমধ্যেই মনোনয়ন দেয়া আছে।

তবে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের অংশগ্রহণে অবাধ নির্বাচন চান ভোটাররা।

জেএম/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়