logo
  • ঢাকা সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: বিএনপি যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে

BNP logo
বিএনপির লোগো
‘মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় ফিরিয়ে নেওয়ার’ প্রত্যাশা নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান করবে বিএনপি।

রোববার (২২ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই কথা জানান। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ৫০ বছর পূর্তিতে আমাদের মূল থিম থাকবে যে, আমরা বাংলাদেশকে সেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় ফিরিয়ে নিতে চাই এবং সেই চেতনাকে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এটা হবে বিএনপির সুর্বণজয়ন্তীর মূল লক্ষ্য ও মূল উদ্দেশ্য। ২০২১ সালের বছরব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও অনাড়াম্বরপূর্ণভাবে বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে থাকবে, বিষয়ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগিতা, অংকন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, বিষয়ভিত্তিক প্রকাশনা যেমন-গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিএনপির ভূমিকা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের কর্মসূচি ভিত্তিক কর্মশালা, নারীর ক্ষমতায়, বৈদেশিক নীতি, সমাজতন্ত্র থেকে মুক্তবাজার অর্থনীতি, নৃত্যনাট্য, পথনাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী, বিএনপির শাসনামলের সাফল্য, পুস্তিকা প্রকাশ, লিফলেট বিতরণ, ডকুমেন্টারি নির্মাণ, বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, সেনাবাহিনীকে আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তর, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিএনপির ভূমিকা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শন, দেশ গঠনে জিয়ার ১৯ দফার ভূমিকা, শহীদ জিয়ার উন্নয়নের রাজনীতি প্রভৃতি বিষয় আলোচনা সভা এবং ছয়টি বিষয়ভিত্তিক প্রকাশনা। মহানগর-জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, সমাবেশ ও র‍্যালিও রয়েছে কর্মসূচিতে।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পারছি যে, গণতন্ত্রের আজকে কি অবস্থা? বিচার ব্যবস্থা, গণমাধ্যমের কী অবস্থা- এটা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় না। আজকে মুক্তিযুদ্ধের সকল চেতনা ভুলণ্ঠিত। শুধু ব্যক্তি স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার একমাত্র স্বার্থে গণতন্ত্রের টুটি চেপে হত্যা করা হয়েছে। 

বিরোধী দলের অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের অবস্থা তো বুঝেন। আজকে ঘটনা ঘটলে তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন, সাত দিনের মধ্যে চার্জশিট, ১৫ দিনের মধ্যে বিচার শুরু।’

গত শনিবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির প্রথম ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খন্দকার মোশাররফের সভাপতিত্বে এই সভায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

জিএ

RTVPLUS