logo
  • ঢাকা রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

তাবলিগ জামাতের ইজতেমা একটাই ১০ জানুয়ারি, দাবি মুরব্বিদের

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০২ জানুয়ারি ২০২০, ২১:১৯ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২০, ১১:১৪
তাবলিগ জামাতের ইজতেমা একটিই ১০ জানুয়ারি, দাবি মুরব্বিদের
মাওলানা সাদের ভ্রান্ত মতাদর্শের কারণেই আলেমরা তার বিরোধিতা করছেন। এটা আদর্শিক বিরোধিতা, এখানে কোনও নেতৃত্বের বিরোধিতা নেই। তাবলিগ জামাত চলে যৌথ নেতৃত্ব তথা পরামর্শভিত্তিক পদ্ধতিতে। কিন্তু মাওলানা সাদ সেটি করেন একক নেতৃত্বে এবং তিনি নিজেও কোনও পরামর্শ ছাড়াই নিজেকে আমির হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে মতবিনিময় সভায় তাবলিগের মুরব্বিরা এসব কথা বলেন। বৈঠকে তাবলিগ জামাতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জামিয়া রাহমানিয়া মোহাম্মদপুর মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা শাহরিয়ার মাহমুদ, মাওলানা আমানুল হক, ক্যাপ্টেন ইফখোর আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া জাতীয় পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল ও টেলিভিশনের প্রায় ৩০ জন রিপোর্টার অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে বলা হয়, বিশ্ব ইজতেমার ৫৫তম পর্ব শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি এবং আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তা শেষ হবে ১২ জানুয়ারি। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব বলে যে কথা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। পরের সপ্তাহে মাওলানা সাদের অনুসারীরা ইজতেমা করবে। সেটির সাথে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের কোনও সম্পর্ক নেই।

বৈঠকে তাবলিগের ইতিহাস, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন মুরব্বিরা। তারা জানান ২০১৪ সাল থেকে তাবলিগে যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে তার মূলে রয়েছে, যৌথ নেতৃত্ব তথা পরামর্শভিত্তিক পদ্ধতি বাদ দিয়ে একক নেতৃত্বে কাজ চালানো। এছাড়া মাওলানা সাদের কুরআন-হাদিসবিরোধী মনগড়া নানা মন্তব্য।

তারা বলেন, অনেকেই বলে থাকেন মাওলানা সাদের বিরোধিতা শুরু হয় বাংলাদেশ থেকে, কিন্তু এই তথ্যটি সঠিক নয়। তার বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য প্রথম বিরোধিতা শুরু হয় খোদ দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকেই। পরে দারুল উলুম দেওবন্দও এ ব্যাপারে ফতোয়া দেয়া হয়। সেই ফতোয়ার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের আলেমরা সাদ সাহেবের ভ্রান্ত মতাদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। এখন সারা বিশ্বের আলেমরাও বিরোধিতা করছেন।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • ধর্ম এর সর্বশেষ
  • ধর্ম এর পাঠক প্রিয়