logo
  • ঢাকা রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৭

মাত্র ৬ লাখ টাকায় বাঁচতে পারে একটি জীবন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ জুলাই ২০১৯, ১৭:২৯ | আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩৭
নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা কলেজ রোড নিবাসী সুজন কর রাহুলের সহধর্মিনী মুক্তা রানী কর- এর দুইটি বাল্বই নষ্ট হয়ে গেছে।
শিল্প আর বাণিজ্যের জন্য প্রসিদ্ধ নারায়ণগঞ্জ, প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে খ্যাত। প্রতিদিন এই নগরীতে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হলেও দিনকে দিন মানুষের মানবিকতা নেমে যাচ্ছে শূন্যের কোটায়। বেশ দু:খ নিয়েই বলছিলেন সুজন কর রাহুল। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে শিল্পপতির অভাব নাই কিন্তু কারো কাছে গিয়ে গুরুত্ব পেলাম না।
  
তিনি বলেন, 'কে দেবে আমাকে এত টাকা? ৬ লাখ টাকা হলে বেঁচে যেতে পারে আমার দুই সন্তানের জননী মুক্তা দাসের জীবন।' 

কথা বলে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা কলেজ রোড নিবাসী সুজন কর রাহুলের সহধর্মিনী মুক্তা রানী কর- এর দুইটি বাল্বই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে মৃত্যু শয্যায় প্রহর গুণছেন মুক্তা। পড়াশোনা শেষে ব্যবসা করতো রাহুল। ক্রমাগত লোকসানে বন্ধ হয়ে যায় সে ব্যবসা। আর্থিক সংকটের কারণে সমাজের বিত্তবানদের দ্বারস্থ এখন রাহুল। 

বিত্তবানদের প্রতি আকুতি জানিয়ে সাড়া না পাওয়ায় এমন আক্ষেপ করে কথাগুলি বলেন তিনি। ৬ লাখ টাকা অনেকের কাছেই কিছু না কিন্তু সহায়হীন রাহুলের কাছে অনেক টাকা। অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তার অনেক টাকার প্রয়োজন। চিকিৎসার খরচও বহন করতে গিয়ে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন হিমশিম খাচ্ছে। 

ধার দেনা করে রাহুল অসুস্থ স্ত্রীকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালিয়েছে কোলকাতার পেয়ারলেস হাসপাতালে। ডাঃ দেবানু ঘোষ রায়ের তত্বাবধানে চলতো মুক্তার চিকিৎসা। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য চেন্নাই নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে চিকিৎসক। অর্থের সাথে কুলিয়ে উঠতে না পেরে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে চলে আসেন বাংলাদেশে। 

টাকার যোগান না হলে তার চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। আর তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ছয় লাখ টাকা। ছয় লাখ টাকা হলেই পুনরায় দুইটি বাল্ব পরিবর্তন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। আর তা না হলে মুক্তাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে দাড়াবে। 

অসুস্থ্ মুক্তার দুই মেয়ে তিশা ও রায়। টাকা জোগার করতে গিয়ে স্বামী সুজন কর রাহুল পাগল প্রায়। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অর্থ যোগান দেয়ার জন্য। কিন্তু কারো কাছ থেকে তেমন কোন আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি তার। 

সমাজের বিত্তশালীদের কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছে কে দিবে তাকে এতগুলো টাকা? নাকি টাকার কাছে হেরে যাবে মুক্তার জীবন? এই ভেবে শঙ্কিত তার পরিবার। অর্থবিত্ত হৃদয়বান ব্যক্তির কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুক্তার পরিবার, কেউ সাহায্যের হাতটি বাড়িয়ে দিলে ফিরিয়ে পেতে পারে দুই সন্তানের জননী মুক্তার জীবন। 

সাহায্যের জন্য যোগাযোগঃ সুজন কর রাহুল, গলাচিপা কলেজ রোড, নারায়ণগঞ্জ। বিকাশ পার্সোনাল ০১৬৭৭-৯০০৫১৪ । একাউন্ট নাম্বার 22934000236, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লি: চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ। 

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আসুন পাশে দাঁড়াই এর সর্বশেষ
  • আসুন পাশে দাঁড়াই এর পাঠক প্রিয়