logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৭

এতো ভয়াবহ দগ্ধ মানুষ কখনও দেখিনি: ডা. সামন্ত লাল

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৩:১৪ | আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:০৩
এতো ভয়াবহ দগ্ধ মানুষ কখনও দেখিনি ডা. সামান্ত লাল
ফাইল ছবি
দেশে এ যাবৎকালে আগুনে দগ্ধ অনেক মানুষ দেখেছি। তবে  ৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় এত ভয়াবহ দগ্ধ কখনও দেখিনি। একজন রোগী মারা গেছেন, যাকে তার স্ত্রী পর্যন্ত চিনতে পারেনি। মুখমণ্ডল এমনভাবে বিকৃত হয়েছিল। পরে তার হাতের কাটা দেখে তাকে শনাক্ত করতে হয়েছে। বললেন  শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।

আজ শুক্রবার সকালে কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. সামন্ত লাল বলেন, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এখন পর্যন্ত  আগুনে দগ্ধ যত রোগী এসেছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ বা বেশি মাত্রায় পোড়া রোগী এসেছে কেরানীগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে।  এখানে অনেক রোগী আছেন যাদের মুখ চেনা যাচ্ছে না। শ্বাসনালী খুব খারাপভাবে পুড়ে গেছে এবং যে ১০ জন রোগী এখনও রয়েছে তাদের সবার শরীরের ৬০ থেকে ৮০ ভাগ পোড়া এবং আব্দুর রাজ্জাক নামের একজনের শতভাগ পোড়া।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: চিকিৎসকরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
---------------------------------------------------------------

তিনি বলেন, ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ৮ জন ভর্তি রয়েছে, তারা সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত। তাদের শরীরে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পোড়া। আর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি  ইনস্টিটিউটে এখন ১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এদের কেউই শঙ্কামুক্ত নয়। প্রত্যেকেই লাইফসাপোর্টে।

তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও শতভাগ বার্ন হওয়া রোগী বাঁচানো সাধারণত সম্ভব হয় না। আমরা চেষ্টা করছি বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। বাকি যারা রয়েছে তাদেরও শরীরের ৬০ থেকে ৮০ ভাগ পোড়া রয়েছে। প্রত্যেকেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী এমনভাবে পুড়েছে যে সেটা রিকভার করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • স্বাস্থ্য এর সর্বশেষ
  • স্বাস্থ্য এর পাঠক প্রিয়