logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ৪ মাঘ ১৪২৭

সিডনিতে বিংগো বাংলাদেশ বিজয় উৎসবে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা 

সিডনিতে বিংগো বাংলাদেশ বিজয় উৎসবে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা 
সিডনিতে বিংগো বাংলাদেশ বিজয় উৎসবে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা 
সিডনির ব্যাংকটাউন হিমালয় অ্যাম্পোরিয়ামে ইউনাইটেড বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার আয়োজনে আজ দুপুরে বিংগো বাংলাদেশ বিজয় দিবস উৎসব পালিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ওমেন কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সাজেদা আখতার সানজিদা ফুলের তোড়া দেন ইউনাইটেড বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার অতিথিদের। অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। 

সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ড. আয়াজ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন,  ১৯৭১ সালের দীর্ঘ নয় মাস ব্যাপক মানুষের প্রাণহানি ও মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ। এর পিছনে অন্যতম ভূমিকা রাখেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের অবদানের কথা কোনোদিন ভুলবার নয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিডনির কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম বলেন, ‘পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি দেশ এনে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর এই মহান মুক্তিযুদ্ধে যাদের আত্মত্যাগ ছিলে তারাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। 

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকারের সাবেক মন্ত্রী এবং নিউ সাউথ ওয়েলস লিবারেল পার্টির সভাপতি ফিলিপ রাডক বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি না কিন্তু আমি বাংলাদেশি  অস্ট্রেলিয়ানদের বন্ধু।  আমি বাংলাদেশের লাল সবুজের ইতিহাস জানি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ছিল এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়াই প্রথম ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামে নতুন দেশটিকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

কার্ল সালেহ সাবেক ডেপুটি মেয়র ক্যান্টাবুরি কাউন্সিল বলেন, আমি লেবার পার্টির নেতা হিসেবে এখানে আসিনি। আমি এসেছি আমার প্রিয় বন্ধু বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের বিজয় দিবস উদযাপন করতে। আমি বার বার দেখেছি, বাংলাদেশের মানুষের  বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কতটা একাগ্রতা। আমি এই উৎসবে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

টেলেঅস(TELEAUS) এর প্রধান কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম তরুণদের দেশের সেবায় এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন। 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করেন কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম।  মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা সম্মাননা পান তারা হলেন- মোঃ মিজানুর রহমান তরুণ , আবুল হেলাল উদ্দিন , শাহ মোঃ এনায়েতুর রহিম , আপেল মাহমুদ , হাবিবুর রহমান বিশ্বাস , হুমায়ুন কবির খান , ড. মোঃ আব্দুর রাশিদ, ড. আমিনুল হক ফারাইজি , এম রেজাউর রহমান, মোঃ আব্দুল লতিফ , কামরুল আহসান খান , মোঃ মখদুমই আজান মাশরাফি ও ড. মো. শাহাদাত খান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ নিয়ে গান পরিবেশন করেন তামিমা শাহরীন ও জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি।  কবিতা আবৃত্তি করেন ফায়জুন নাহার পলি, হাবিবুর রহমান ও মাসুদ পারভেজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমেরিটাস প্রফেসর ডক্টর রফিকুল ইসলামসহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ, সংস্কৃতিকর্মীরা।  

অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহ জামান টিটু উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায করেন লিটন বাউল।
পি

RTV Drama
RTVPLUS