logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

প্রাথমিকে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিড়ম্বনা নিরসনে কারেকশন অপশন চালু

Primary job, correction option, embarrassment
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রত্যাশী
তিন সপ্তাহে সাত লাখের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করেছেন। গত ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সূত্র। অনলাইনে চাকরিপ্রত্যাশীরা আবেদন করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন। এই বিড়ম্বনা নিরসনে ওয়েবসাইটে কারেকশন অপশন যুক্ত করা হয়েছে।  

এবার সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে শূন্য আসন বৃদ্ধি পেলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আজ শনিবার (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত সাত লাখ আবেদন জমা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে গিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিভিন্ন ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। তার মধ্যে একাডেমিক সার্টিফিকেট গ্রহণ না করা, বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত না থাকায় আবেদন সম্পন্ন না হওয়া, জেন্ডার (লিঙ্গ) নির্বাচনে ভুলসহ নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিচ্ছে। অনেকে টেলিটকের হেল্পলাইনে ফোন করে অভিযোগ দিচ্ছেন, অনেকে আবার ডিপিইতে নানা মাধ্যমে অভিযোগ পাঠাচ্ছেন।

ডিপিইর মহাপরিচালক এ এম মনছুরুল আলম বলেন, অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ আবেদন টেকনিক্যাল কারণে নানা ধরনের ভুলভ্রান্তি ধরা পড়ছে। এসব সমাধান করতে ওয়েবসাইটে কারেকশন অপশন যুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থী সেই লিঙ্কে প্রবেশ করে তার অভিযোগ অথবা সমস্যা উল্লেখ করে পাঠালে তা সংশোধন করা হবে। আবেদন ফি জমা দেয়ার পরও এ টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধান করা যাবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।

এফএ/পি

RTVPLUS