Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ০৫ মে ২০২১, ১৬:২২
আপডেট : ০৫ মে ২০২১, ১৬:২৫

বুনো রসুন খাওয়ার দুর্দান্ত ৬ উপায়, কখনো খেয়েছেন কী?

বুনো রসুন খাওয়ার দুর্দান্ত ৬ উপায়, কখনো খেয়েছেন কী?
বুনো রসুন খাওয়ার দুর্দান্ত ৬ উপায়, কখনো খেয়েছেন কী?

বুনো রসুন, সাধারণত মসলা হিসেবে তরকারিতে ব্যবহার করা রসুনের মতো নয় এটি। তবে পাতাযুক্ত এই বুনো রসুন ১৭টিরও বেশি উপায়ে খাওয়া যেতে পারে। এটি সাধারণ রসুনের থেকে তুলনামূলক কম তীব্র, তাই এটি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তীব্রতা কম হওয়ায় যে কোনো কিছুতেই ব্যবহার করা যেতে পারে বুনো রসুন। অনেকে কেবলমাত্র বুনো রসুনকে সালাদ হিসেবেই জানে। এছাড়া শাক-সবজি ভাজা, সিদ্ধ এবং আচারযুক্ত ও সংরক্ষণ যোগ্য করে রাখা যায় এই বুনো রসুন। বুনো রসুন হচ্ছে ভিটামিনগুলোর মূল উৎস।

বসন্তকালে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-বি এর ঘাটতি দেখা যায় শরীরে। বসন্তকালে বুনো রসুন খাওয়ার ফলে এই ঘাটতিগুলো মিটে যায়। এটি খুবই স্বাস্থ্যকর একটি উপাদান। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ১০-১৫টির বেশি খাওয়া উচিত নয়। অন্যথায় মাথাব্যথা, পেট ফুলা ভাব ও বমি বমি ভাব হতে পারে।

সালাদ : এপ্রিলের দিকে খুবই নরম থাকে বুনো রসুনের অঙ্কুরগুলো। তাই এই সময় বুনো রসুন সালাদ হিসেবে খাওয়া খুবই মজাদার। তবে এর পর সালাদ বা সবজি হিসেবে খাওয়ার উপযুক্ত থাকে না।

কয়েকগুচ্ছ বুনো রসুন, ৪টি ডিম, হাফ চামচ ভাত, শসা ১টি, মূলার টুকরো ৫-৭টি, টক দই বা মেয়নিজ ৩ চামচ ও স্বাদমত লবণ। বুনো রসুনের পাতাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে কেটে নিন। ডিম সিদ্ধ করে নিয়ে গোলাকার রিং করে কাটুন। একইভাবে শসাও কেটে নিন। এখন ভাত, লবণ ও টক দই বা মেয়নিজ মিশিয়ে নিন। তারপর স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন বুনো রসুনের সালাদ খাবার।

কাতালান সস : ভুট্টার রুটিতে সস হিসেবে দুর্দান্ত হয়ে থাকে বুনো রসুন। প্রথমে কয়েকটি বুনো রসুনের পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার আলাদা একটি পাত্রে সূর্যমুখী বীজ, অলিভ অয়েল, হাফ চামচ লেবুর রস পরিমাণ মতো নিয়ে নিন। এখন ভালো করে ব্লেন্ডারে করে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর ভুট্টার রুটি বা অন্য কোনো জাতীয় রুটি বা ব্রেডের সঙ্গে পরিবেশন করুন বুনো রসুনের সস।

ফাস্টফুড’স সস : পাস্তা বা অন্যান্য ফাস্টফুড খাবারে বুনো রসুনকে সস হিসেবেও রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে উপরের প্রণালীর সঙ্গে অতিরিক্ত বাদাম, মরিচ ও ব্রেডক্যাম্বস যোগ করতে হবে। এতে করে একটি ঐতিহ্যবাহী সস হবে।

স্যুপ : সাধারণ স্যুপের মতোই বুনো রসুনেরও স্যুপ তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে উপকরণও একই। বুনো রসুনের স্যুপ তৈরির জন্য স্টক, মাখন, ক্রিম, গাজর, বুনো রসুনের কয়েকটি অঙ্কুর ও পাতা ও খানিকটা আদা এবং অর্জো মাইনস্ট্রোন স্যুপ প্রণালী মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। কয়েক ঘণ্টা পর সাধারণ স্যুপের মতো গ্যাসের চুলায় তৈরি করে নিন বুনো রসুনের স্যুপ।

পুদিনা স্যুপ : স্যুপ তৈরির মতোই এর সঙ্গে পুদিনা পাতা ও কয়েকটি সাধারণ রসুন ও পেঁয়াজ যোগ করুন। এতে করে স্যুপে ভিন্নরকম স্বাদ যোগ হবে।

চানা ডাল : চানা ডাল এটি ছোলার ডাল নামে বেশ পরিচিত। পুরি ও অন্যান্য ভাজাপোড়া খাবারের সঙ্গে ছোলার ডালের চাটের স্বাদের কোনো বিকল্প নেই। তবে ছোলার চাটের সঙ্গে বুনো রসুনের উপাদান ভিন্ন মাত্রা বয়ে আনে। যা কিনা আপনার এ যাবতকালের সেরা পুরির সঙ্গী হবে। এর জন্য আলাদা মরিচ, জিরা ভাজা, কয়েক টুকরো পেঁয়াজ, স্বাদমতো লবণ ও ৫-৬টি অঙ্কুরসহ বুনো রসুনের পাতা ব্লেন্ডার করে নিন। তারপর ছোলার চাটের সঙ্গে রেখে উপভোগ করুন নতুন এই রেসিপি।

সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান ও ডেইলি সাবাহ্

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS