• ঢাকা সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬

আগামী তিনমাসে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারাবে অনেক ভারতীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৩৫ | আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৪৬
ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে নেয়া

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-৪ ভিসাধারীদের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে আইন তৈরি হবে বলে জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এতে চাকরি হারাবে দেশটিতে কর্মরত অনেক ভারতীয়।

রোববার একটি আদালতে ট্রাম্প প্রশাসনের এইচ-৪ ভিসাধারীদের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল সংক্রান্ত বক্তব্য এবং ভারতীয়দের চাকরিহারা হতে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার।

‘সেভ জবস ইউএসএ’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের একটি সংস্থা অনেকদিন ধরে আমেরিকানদের চাকরি সুরক্ষা দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এমনকি তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়।

কলম্বিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ বলেছে, মামলাটি এবার স্থগিত রাখা হোক। এইচ১বি অভিবাসীদের স্বামী বা স্ত্রী, যারা এইচ-৪ ভিসা নিয়ে আছেন, তাদের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল করতে আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি।

এইচ-৪ ভিসাধারীদের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিলের আইনটি হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অব বাজেটে (ওএমবি) উপস্থাপিত হবে বলেও জানানো হয় এসময়।

ভারতীয় সংস্থাগুলোর কাছে আসা বেশির ভাগ আইটি প্রকল্পই যুক্তরাষ্ট্রের। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলোর সংগঠন ন্যাসকমের পূর্বাঞ্চলীয় কর্মকর্তা নিরুপম চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা টানা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এইচ১বি ভিসাধারীদের স্বামী বা স্ত্রীরা যথেষ্ট শিক্ষিত। নিজেদের যোগ্যতাতেই তারা চাকরি পেতে পারেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, বিষয়টি নতুন কিছু নয়। অনেক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র এইচ-৪ ভিসাধারীদের চাকরি বন্ধের হুমকি দিয়ে আসছে। আর ভারত সরকারও তা ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

পরিসংখ্যান অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের এইচ১বি ভিসাধারীদের ৯০ শতাংশই ভারতীয় এবং তাদের বেশির ভাগই তথ্যপ্রযুক্তিকর্মী। তারা কর্মসূত্রে সপরিবারে সেখানে আছেন। এইচ১বি ভিসাধারীদের জীবনসঙ্গী এবং ২১ বছরের কমবয়সী ছেলেমেয়েদের এইচ-৪ ভিসা দেয় বারাক ওবামা প্রশাসন।

এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর দুজনের আয় তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের ব্যয় নির্বাহ করাটা বেশ সহজ হয়। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই বলে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে চাকরিতে অগ্রাধিকার দেবেন তিনি। এই লক্ষ্যে এইচ১বি ও এইচ-৪ ভিসা নীতি পর্যালোচনা করবে তার সরকার।

আরও পড়ুন :

কে/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়