Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

কাপল অব দ্য সিটি

কাপল অব দ্য সিটি

মিলি আর রাসেল দু’জন দুটি কর্পোরেট অফিসে চাকরি করে। দুইজনের যা আয়, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় সবাই ভাবে তাদের মনে হয় অনেক টাকা। মিলি আর রাসেলের ঝামেলা হলো লাইফের স্ট্যান্ডার্ড আপ করতে যেয়ে তারা তাদের সাধ্যের বাইরে কাজ করতে থাকে।

বেশী ভাড়ার বাসায় থাকা, বন্ধুদের জন্মদিন, বিয়ে সব জায়গায় দামী গিফট দেয়া। ওদের দেয়ার হাত নিয়ে সবার আলোচনা। আর ওরা খরচ করে বলে ওদের সাথে সবাই এক্সট্রা খাতিরও রাখতে চায়। দিন শেষে দেখা যায় বেতনের এক টাকা তো থাকেই না, উল্টা ধার শোধ করতে গিয়ে মাইনাসের খাতায় থাকে মিলি আর রাসেল।

মানুষের কাছে খুব ভাল থাকলেও দিন শেষে মিলি আর রাসেল ঘুমায় এক রাশ চিন্তা নিয়ে। হিসাব করে দেখে সেভিংস তো দূরের কথা কোন কোন দিন বাসা থেকে বের হওয়ার টাকাও পকেটে থাকে না।

একটা সময় ওরা বন্ধু-বান্ধবীর কাছ থেকে ধার করতে শুরু করে। তারাও দেয়। কিন্তু একটা পার্টিতে গিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনায় ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে যায়। সেই পার্টিতে কিছুটা ইনসাল্টেড হয় ওরা দুই জন। মিলি ও রাসেলের মাঝে ঝগড়া হতে থাকে। একে অপরের কাছ থেকে কি আশা করে বিয়ে করেছিল, চেপে থাকা সবকিছু যখন বলা হয়ে যায় এক সময় এসে রাগ করেই বলে ওরা আলাদা হয়ে যাবে।

খবর বাতাসের আগে ছুটে। তিল থেকে তাল হতেও সময় লাগে না। ওরা আর এক সাথে থাকতে চায় না সেটা ওদের বন্ধু-বান্ধবীরা আলোচলা করতে থাকে। ব্যাপারটা সিরিয়াস হয়ে যায়। তাদের ডিভোর্স ইস্যু ফ্রেন্ড সার্কেলের হট টপিক হয়ে যায়। ওরা না জানলেও ওদের আশেপাশের লোকজনদের উৎসাহেই ব্যাপারটা ডিভোর্সের দিন পর্যন্ত এসে ঠেকে।

উকিলের সামনে বসা মিলি আর রাসেল। সবাই আগ্রহ ভরে তাকানো সাইন করবে ওরা। কিন্তু দুই জন এক সাথে বলে উঠে তারা ডিভোর্স দিবে না। মিলিকে রাসেল বাইরে টেনে নিয়ে যায়। ওই দিকে সবাই আবার এমন ভাব শুরু করে যেন তারা জানতো এমন কিছুই হবে। অথচ তারাই দুই দিন আগে বলেছিলো কোনভাবেই আর ওদের এক সাথে থাকা উচিত না।

রাসেল মিলিকে বলে, ওরা সাধ্যের মধ্যে ছোট্ট একটা বাসা নিবে। আর শুধু এক সাথে থাকবে। ভাল থাকবে।

প্রীতি দত্তের রচনা ও পরিচালনায় ‘কাপল অব দ্য সিটি’ নাটকে জুটি বেঁধেছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এবং ইরফান সাজ্জাদ। ঈদের চতুর্থ দিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে আরটিভিতে প্রচার হবে একক নাটকটি।

এনএস

RTV Drama
RTVPLUS