DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬

মানিকগঞ্জে তরুণী ধর্ষণ: দুই পুলিশ কর্মকর্তা ৬ দিনের রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
|  ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৫:৫২ | আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৮
মানিকগঞ্জে এক তরুণীকে দুই দিন আটকে রেখে ইয়াবা খাইয়ে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন এবং এ এসআই মাজহারুল ইসলামকে ছয় দিনের রিমান্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।

মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল আদালত-৭ এর বিচারক মো. গোলাম ছারোয়ার দুপুর দেড়টায় এই আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তাদেরকে আদালতে নেয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ আদালতে ১০দিনের রিমান্ড চান। আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বাদশা এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো।

এর আগে, তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সোমবার সন্ধ্যায় সাটুরিয়া থানায় মামলা করেছে ওই তরুণী। এরপর রাত আটটায় ওই তরুণীর মেডিকেল টেস্ট করা হয়েছে। 

ওই তরুণীর করা মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী তার খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় পাওয়া টাকা আনতে যান। থানায় যাওয়ার পর সেকেন্দার তাদেরকে থানার পাশে জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে বসে পাওনা টাকার বিষয়ে কথাবার্তা বলার সময় এএসআই মাজহারুল সেখানে উপস্থিত হন। এরপর ওই নারীকে কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়। আর তরুণীকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ওই কর্মকর্তারা ইয়াবা টেবলেট সেবন করেন। এ সময় তরুণীকে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। ইয়াবা সেবনের পর তিনি অসুস্থবোধ করেন। এরপর থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ওই কক্ষে আটকে রেখে ওই দুই কর্মকর্তা তরুণীকে কয়েক দফা ধর্ষণ করে। 

শনিবার রাতে বিষয়টি জানার পর মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীমের নির্দেশে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়