logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
|  ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১৩:৩২ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১৩:৫০
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ধর্ষককে আটক করেছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুস্মিতা উপজেলার গাবতলা গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে ও গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

আটক ধর্ষকের নাম জয়দেব সরকার। সে ওই গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে এবং বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

সুস্মিতার বাবা প্রশান্ত দাস জানান, তার মেয়ে জয়দেবের বোনের কাছে প্রতিদিন বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যেত। রোববার বিকেলে জয়দেবের বোন বাড়িতে না থাকায় সে সুস্মিতাকে প্রাইভেট পড়িয়ে বাড়িতে ব্যাগ রেখে আবারো ডেকে নিয়ে যায়।

সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে গাবতলা গ্রামের সত্যরঞ্জন দাসের দোকান থেকে খাবার কিনে দিয়ে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় জয়দেব। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সুস্মিতাকে ধর্ষণ করে সে। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সুস্মিতা মারা গেছে ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ফেলে দেয়া হয়।

পরে গ্রামবাসী সুস্মিতাকে খুঁজতে থাকার একপর্যায়ে জয়দেব পুকুর থেকে সুস্মিতাকে তুলে এনে নিজেদের বাথরুমে ফেলে রাখে। পরে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ওই বাথরুম থেকে সুস্মিতার মরদেহ উদ্ধার করে। আটক করা হয় জয়দেব সরকারকে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ আরটিভি অনলাইনকে জানান, সুস্মিতার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক জয়দেব সরকার ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

আরো পড়ুন:

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়