Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:১২
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:২২

ঢাকার রাস্তায় ব্যালে ড্যান্সে ভাইরাল নওগাঁর মেয়ে ইরা

ফ্রি-ল্যান্সার জয়িতার ক্যামেরায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে শূন্যে ভাসছে ইরা। এই ছবি এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। ছবির মডেল নৃত্যশিল্পী ইরার জন্মস্থান নওগাঁয়। সেখানেই নিয়মতি অনুশীলন ও বেড়ে উঠা। এবার এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন ইরা।

নাচ করতে ভালোবাসেন তিনি। শৈশবে নওগাঁয় সুলতান মাহমুদের কাছে শিখেছেন। পরে ঢাকায় ভারতনাট্যম শেখেন। ২০২১ থেকে সাধনার সঙ্গে কাজ করছেন।

নওগাঁ পৌরসভার অন্তর্গত বিজিবি ক্যাম্প বটতলী এলাকায় বসবাস করেন তিনি। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলায় ও শরীর চর্চায় বেশ মনোযোগী ইরা। পড়ালেখা আর নাচের পাশাপাশি জিম, স্কেটিং, টেনিস ও ক্রিকেট খেলেন। সবটাতেই পারদর্শী ইরা। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই এত কিছু। প্রথম দিকে সবকিছু সহজ ছিল না। পারিবারিক চড়াই উতরাই পার করে আজ সফলতার কথা জানাচ্ছিলেন ইরার মা ফাহমিদা কামাল। ছোটবেলা থেকে দুরন্ত মেয়েকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কিছু করে দেখানোর প্রত্যয় নিয়ে মেয়ের পাশে সবসময় ছিলেন তিনি। নওগাঁ জেলা শহরে থেকে রাজধানীর বুকে মেয়ের এমন পারফরম্যান্সে অনেক খুশি তিনি। মেয়েকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সবসময় মেয়ের পাশে থাকবেন বলে জানান ইরার মা।

নওগাঁ সীমান্ত পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসিতে পেয়েছেন জিপিএ-৫। এখন পড়ছেন নওগাঁ সরকারি কলেজে। চার বোনের মধ্যে ইরা তৃতীয়। বড় দুই বোন আলাদা প্রতিভার অধিকারী। মেয়েদের শুধু মেয়ে হিসেবে নয়, মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছেন। এবার মা-বাবার স্বপ্ন পূরণের পালা। ইরার বাবা আবু হায়াৎ মোহম্মদ কামাল জানান, মেয়ের এমন কাণ্ডে গর্ববোধ করছেন তিনি। পড়াশোনার ক্ষতি হবে ভেবে নাচ শেখাতে প্রথমদিকে বাধা দিলেও পরবর্তীতে মেয়ের আগ্রহ এবং মেয়ের মায়ের চেষ্টায় মেয়ের পথচলায় বাধা দেননি তিনি।

নাচের এই ধরনকে বলে ব্যালে। ব্যালে-জিমন্যাস্টিক মিলিয়ে পারফর্ম করেন নওগাঁর শিল্পী ‘মুবাশশীরা কামাল ইরা’। তবে ভরতনট্যামেও বেশ পারদর্শী তিনি।

ইরা জানান, শৈশবে নওগাঁয় সুলতান মাহমুদ স্যারের কাছে থেকে নাচের তালিম নিয়েছেন। তখন নাচের পাশাপাশি ক্রিকেট খেলাটাও অনুশীলন করতেন। এমন কি একসময় চিন্তা করেছিলেন ভবিষ্যতে ক্রিকেটার হবেন। এ জন্য তিনি বিকেএসপিতে ট্রায়ালও দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে স্কেডিং, নাচ আর পড়াশোনার প্রতি বেশি মনোযোগী তিনি।

তিনি আরও জানান, নিজের নাচ ভিডিও করে ইউটিউব এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দিতেন। নাচের ভিডিওগুলো দেখে সাগর দেবনাথ নামক এক ফটোগ্রাফার ইরাকে নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। যমুনা ফিউচার পার্কে ফটোশুট করার সময় জয়িতার সঙ্গে পরিচিত হন ইরা। তারপর ব্যালে নাচের ফটোশুটের জন্য জয়িতা ইরাকে নির্বাচিত করেন। এইভাবে যাত্রা শুরুর কথা জানান তিনি।

জিএম/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS