logo
  • ঢাকা সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল !

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০২ জুলাই ২০১৯, ২২:৩২
সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইতে আগামীকাল বুধবার স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড। চেস্টার লে স্ট্রিটের দি রিভারসাইড ডারহামে খেলাটি শুরু হবে বেলা সাড়ে তিনটায়।

এবারের বিশ্বকাপে নিয়ম অনুযায়ী কোয়ার্টার ফাইনাল নাই। কিন্তু ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটি হয়ে দাঁড়িয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল। গ্রুপপর্বে দুই দলেরই শেষ ম্যাচ এটি। জিতলেই সে দল চলে যাবে  সেমিফাইনালে। আর হারলে সমীকরণে ঝুলে যাবে ভাগ্য।

অঘোষিত এই কোয়ার্টার ফাইনাল ঘিরে তাই রোমাঞ্চিত ক্রিকেট দুনিয়া। গেলোবারের ফাইনালিস্ট বনাম স্বাগতিক শক্তির লড়াই তকমাটিও নজর কাড়ছে ক্রিকেট ভক্তদের।

স্বাগতিক দল হিসেবে লড়াইতে এগিয়ে থাকার কথা ইংল্যান্ডের। তবে মানসিক চাপও তাড়া করবে মরগানদের। মাঝে ছন্দপতন হলেও নিজেদের ফিরে পেয়েছে ইংলিশরা। ভারতের বিপক্ষে আগ্রাসী ব্যাটিং, স্মার্ট বোলিং ও শিহরিত ফিল্ডিংয়ে ওয়ানডেতে শীর্ষ দল হবার কারণ জানান দিয়েছে থ্রি-লায়ন্সরা।

উদ্বোধনীতে ভাল শুরু এনে দিতে ফর্মে রয়েছেন জনি বেয়ারস্টো। জেসন রয় ফেরায় শক্তি বেড়েছে আরও। দুই ম্যাচে রান পাওয়ায় এ ম্যাচে নিজেকে ফিরে পেতে চাইবেন ইংলিশ দলপতি ইয়ন মরগান। এ ম্যাচেও বেন স্টোকসের সেবা প্রত্যাশা করবে ইংলিশরা।

জোফরা আর্চার, ক্রিস ওকসের সঙ্গে উইকেট শিকারী বোলার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন লিয়াম প্লাঙ্কেট। কিউইদের স্পিন দুর্বলতার ফায়দা তুলতে মনোযোগী হবেন আদিল রশীদও।

হারলেই বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে। সেই শঙ্কা থেকেই চেনা কন্ডিশনের সুবিধা তুলতে হবে ইংল্যান্ডকে।

কন্ডিশনের মানিয়ে নিতে পিছিয়ে নেই নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টে শুরুর টানা ছয় ম্যাচ জয় স্পষ্ট করেছে ইংল্যান্ডের মাটিতে কতটা আপন করে নিয়েছে কিউইরা।

কিন্তু পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে টানা হেরে ছন্দপতন হয়েছে নিউজিল্যান্ডের। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়াটাও ভাবনায় রাখতে হচ্ছে।

তবে এ ম্যাচগুলোতেও দলকে সেবা দিয়েছে বোলাররা। বিশেষত ফার্গুসন ও ট্রেন্ট বোল্ট নাড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষকে। প্রথম কিউই বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করার কীর্তি গড়েছেন বোল্ট। এ ম্যাচে নামতে পারেন অপেক্ষায় তাকা অভিজ্ঞ পেসার টিম সাউদি। দ্বিতীয় স্পিনার হিসেবে মিচেল স্যান্টনারের পাশাপাশি কেলানো হতে পারে ইশ সোধিকে।

নিউজিল্যান্ডের চিন্তার কারণ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ব্যাটসম্যান বদলেও কোনো ম্যাচেই প্রত্যাশিত শুরু পায়নি ব্ল্যাক-ক্যাপসরা। তাই চাপ পড়ে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ওপর। কেন উইলিয়ামসন ও রস টেইলর এ চাপ সামলেছেনও ভালভাবে। লোয়ার মিডল-অর্ডারে রান তোলার দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন কলিন দি গ্রানধোমে ও জিমি নিশাম।

ওশেনিয়ার ক্রিকেট ভক্তদের জন্য খুশির খবর হলো- হারলেও রান রেট ভাল থাকায় শেষ চারে যাবা আশা বেঁচে থাকবে নিউজিল্যান্ডের।

অগ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়