• ঢাকা শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৫

লঙ্কান কোচের পদও হারাচ্ছেন হাথুরু?

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ১৪ মার্চ ২০১৯, ২৩:০৭ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯, ২৩:১৩
হাথুরু সিংহে বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্বটা নিজেই ছেড়ে দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে অখ্যাত কোচ হিসেবে যোগ দেয়া হাথুরু সিংহে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে চাকরির মেয়াদ শেষ হবার আগেই পদত্যাগ করেন একরকম বিখ্যাত হয়ে। নিজের দেশ শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের প্রস্তাবে রাজী হয়ে চলে যান হাথুরু।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে লঙ্কান দলের প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দেয়ার পর ১৫ মাসে পা দিল লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডে চাকরির বয়স। এই কয়েক মাসে হাথুরু দায়িত্ব পান নির্বাচকের। আবার দ্বায়িত্বচ্যুতও হন।

যেমনটা বাংলাদেশে করেছিলেন। ঠিক তেমনটাই শক্তি প্রয়োগ করতে চেয়েছিলেন লঙ্কান বোর্ডেও। তবে পেরে উঠলেন কই! নির্বাচকের দায়িত্ব হারানোর পর এবার কোচের পদও চাড়তে হচ্ছে। তেমনটাই বলছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় সাইট ‘ক্রিকইনফো’।

--------------------------------------------------
আরো পড়ুন: যোগ দিয়েই ব্রাজিলের তরুণকে রিয়ালে ভেড়ালেন জিদান
--------------------------------------------------

গত ১৫ মাসে হাথুরুর অধীনে ৪৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কা। এর ভেতর মাত্র ১৬টি ম্যাচে জয় পেয়েছে লঙ্কানরা।

চলছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করে চমকে দেয়া লঙ্কানরা ওয়ানডেতে ধুকছে।

পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা লঙ্কানদের যখন ধবলধোলাই অপেক্ষা, তখনই আলোচনায় হাথুরু সিংহে।

লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড থেকে হাথুরুকে বলা হয়েছে দেশে ফিরতে। ওয়ানডে সিরিজের পরই তাকে দেশে ফিরতে বলা হয়েছে।

কেন তাকে হঠাৎ ডাকা হলো তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। এসএলসি বলছে, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনার জন্যই হাথুরুকে ডাকা হয়েছে।

তবে ক্রিকইনফো’র মতে, দেশটির ক্রিকেট বোর্ড বিশ্বকাপের কথা বললেও হাথুরুর কাছে জানতে চাওয়া হবে এমন ভরাডুবির কি কারণ।

এক্ষেত্রে হাথুরুর অবর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ফিল্ডিং কোচ স্টিভ রিক্সন। এসএলসির এক কর্মকর্তা ক্রিকইনফোকে জানিয়েছেন, হাথুরু অবর্তমানে রিক্সন কেমন করেন সেটি পরীক্ষা করতে চায় বোর্ড।


আরো পড়ুন: 

এমআর/

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়