logo
  • ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

রোনালদোর সঙ্গে একই দিনে জন্মেছেন যে ফুটবল তারকারা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫০ | আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০৭
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কার্লোস তেভেজ ও নেইমার
পাঁচবারের ব্যালন ডি অ’র জয়ী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ফিফা ও উয়েফার পক্ষ থেকে অসংখ্য ব্যক্তিগত পদক জিতেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের মতো বড় দলগুলোর জার্সিতে জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপাও। চলতি মৌসুমের শুরুতে জুভেন্টাসে যোগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই ফরোয়ার্ড। যে বয়সে ইউরোপের ফুটবলাররা আমেরিকা অথবা এশিয়ার ফুটবলের উন্নয়নের জন্য ছোট দলগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেন ওই বয়সে জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাবে যোগ দিয়ে সবাইকে অবাক করেছেন। ইতালিয়ান ক্লাবটিতে তার পারফরমেন্সও অসাধারণ। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এই পর্যন্ত ৩০ ম্যাচে ১৯ গোল করেছেন। ২২ ম্যাচে ১৭ গোল করে সিরি আ’র সর্বোচ্চ গোল দাতা এখন সিআর সেভেন। ঠিক এমন অবস্থাতেই ৩৪তম জন্মদিন পালন করছেন তিনি।

bestelectronics
১৯৮৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারিতে পর্তুগালের ফুনচালে জন্ম নেন রোনালদো। স্বদেশী ক্লাব এনডোরিনহা, নেসিওনাল ও স্পোর্টিং সিপি হয়ে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছেন তিনি।

সিনিয়র পর্যায়ে স্পোর্টিং সিপিতে ২৮ ম্যাচে ৩ গোল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ২৯২ ম্যাচে ১১৮ গোল, রিয়াল মাদ্রিদে ৪৩৮ ম্যাচে ৪৫০ গোল আর জুভেন্টাসেও গোলের পর গোল দিয়েই চলেছেন পর্তুগিজ রাজপুত্র। অন্যদিকে ২০০৩ সালে জাতীয় দলের অভিষেক হবার পর ১৫৪ ম্যাচে ৮৫টি গোল করেছেন। যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফুটবলের এই মহা নক্ষত্রের সঙ্গে বেশ কয়েকটি পরিচিত মুখের জন্মদিন মিল রয়েছে।

এক নজরে দেখে নেবো তাদের

ঘিয়োরজি হাগি

ইউরোপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ঘিয়োরজি হাগি ১৯৬৫ সালে জন্ম নেন। ১৯৮৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত রোমানিয়ার হয়ে খেলেছেন। কার্পেথিয়ান ম্যারাডোনা খ্যাত এই তারকা জাতীয় দলে ১২৫ ম্যাচে ৩৫ দিয়েছেন। বর্ণিল ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার জার্সিও পরেছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনাকে গ্রুপ পর্বে হারিয়ে দেয়ার ম্যাচে দুর্দান্ত এক গোলও করেছিলেন তিনি। ৫ ফেব্রুয়ারি নিজের ৫৪ তম জন্মদিন পালন করবেন এই তারকা।

রদ্রিগো প্যালাসিও

আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের যারা খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী রদ্রিগো প্যালাসিও। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা বাহিয়া ব্লাঙ্কায় জন্ম নেন। ২০০২ সালে অ্যাথলেটিকো হুরাক্যান ও বেনফিল্ডের পর বোকা জুনিয়র্সে যোগ দেন। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির হয়ে ১৪২ ম্যাচে ৪৩ গোল করেন। এরপর পাড়ি জমান ইউরোপে। ইতালিয়ান ক্লাব জেনেয়া (৯০ ম্যাচে ৩৫ গোল), ইন্টার মিলানে (১৪০ ম্যাচে ৩৯ গোল) খেলেছেন দীর্ঘদিন। বর্তমানে সিরি আ’র দল বলোগনায় (৪১ ম্যাচে ৬ গোল) খেলছেন ৩৭ বছর বয়সী প্যালাসিও। 

কার্লোস তেভেজ

১৯৮৪ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে জন্ম নেন কার্লোস তেভেজ। ২০ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হবার পর ৭৬টি ম্যাচে ১৩টি গোল দিয়েছেন। ম্যানচেস্টার সিটি (১৪৮ ম্যাচে ৭৩ গোল), ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (৯৯ ম্যাচে ৩৪ গোল) ও জুভেন্টাসের (৯৬ ম্যাচে ৫০ গোল) মতো বড় বড় ক্লাবের জার্সি পরে মাঠ মাতিয়েছেন এল এপাচে খ্যাত এই তারকা। ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড (২৯ ম্যাচে ৭ গোল), সাংহাই গ্রিনল্যান্ড শেনহুয়া (২০ ম্যাচে ৪ গোল), স্পোর্টস ক্লাব কোরিনথিনহাসেও (৩ ম্যাচে ১ গোল) খেলেছেন। বর্তমানে স্বদেশী ক্লাব বকো জুনিয়র্সের (৮০ ম্যাচে ২৮ গোল) হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন কার্লোস তেভেজ। 

নেইমার

১৯৯২ সালের একই দিনে ব্রাজিলের সাওপাওলোতে জন্ম নেন নেইমার। সান্তোসের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। স্বদেশী ক্লাবটির হয়ে ১৩৪ ম্যাচে ৭০ গোল দেন এই ফরোয়ার্ড। ২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেন। স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে ১৮৬ ম্যাচে ১০৫টি গোল দেন তিনি। ২০১৭ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে যোগ দিয়ে হয়ে যান বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার। ২০১০ সালে ব্রাজিলিয়ানদের হয়ে অভিষেকের পর এই পর্যন্ত ৯৬ ম্যাচে ৬০টি গোল করেছেন সাম্বা ফরোয়ার্ড।  

আরও পড়ুন 

ওয়াই/পি

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়