logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৪
আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২০, ২৩:১৯

তামিমদের হারিয়ে আসর জমিয়ে দিলো মাহমুদউল্লাহরা

Mahmudullah kept alive his dream of playing in the final
ছবি- বিসিবি
প্রথমে টপ-অর্ডারের ব্যর্থতায় মনে হচ্ছিল তামিম একাদশের দেয়া ২২২ রানের লক্ষ্য টপকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে মাহমুদউল্লাহ একাদশের। তবে শেষ পর্যন্ত তামিমরাই হেরেছে। এই ম্যাচ ছিল দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

মাহমুদউল্লাহ একাদশ হারলেই বাদ পড়ত টুর্নামেন্ট থেকে, তামিম একাদশ হারলেও বেঁচে থাকবে ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা। আগামী ২১ অক্টোবর মুখোমুখি হবে নাজমুল ও তামিম একাদশ। এই ম্যাচে তামিমরা হারলেই ফাইনালে চলে যাবে মাহমুদউল্লাহ একাদশ।

এমন সমীকরণে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় তামিম একাদশ। ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও তানজিদ তামিম ব্যর্থ হন এদিনও।

প্রথমে তানজিদ হোসেনকে ১ রানে ফেরান রুবেল হোসেন। এরপর ওয়ান-ডাউনে ব্যাট করতে আসা এনামুল হক বিজয়কেও রুবেল ফেরান ১ রানে।

তামিম ইকবালও নিজেকে থিতু করতে পারেননি। মাত্র ৯ রান করে আবু হায়দার রনির বলে তুলে দেন ক্যাচ।

টপ-অর্ডারের বিদায়ের পর মোহাম্মদ মিঠুনও পথ ধরেন সাজঘরের। মিঠুনকেও ২ রানে ফেরান রুবেল। তামিম একাদশের এই ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে হাল ধরেন ইয়াসির আলী রাব্বি ও মাইদুল ইসলাম অংকন। ৮১ বলে ৫টি চার ও ১ ছয়ে ৬২ রান করেন ইয়াসির। অংকন খেলেন ১১০ বলে ৫৭ রানের ইনিংস।

শেষ দিকে সাইফউদ্দিনের ৩৮ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪০ রানে ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২২১ রান তোলে তামিম একাদশ। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে রুবেল নেন ৩৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট। এছাড়া ২টি নেন এবাদত হোসেন ও ১টি নেন আবু হায়দার রনি।

তামিমদের দেয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ একাদশের শুরুটাও হয় নড়বড়ে। দুই ওপেনার বিদায় নেন দলীয় দশ রানের ভেতর। প্রথমে নাঈম শেখকে ৩ রানে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। এরপর লিটন দাসকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে দারুণ জুটি বেঁধে ৪৯ রান করে থামেন ইমরুল কায়েস।

ইমরুলের বিদায়ের পর জয়কে নিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জয় ১০১ বলে ৫৮ করে ফেরার পর নুরুল হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ।

শেষ পর্যন্ত ৬৭ রান করে সাইফউদ্দিনের বলে বিদায় নেন দলীয় ২১৩ রানের মাথায়। ততোক্ষণে দলের জয় নিশ্চিত প্রায়। শেষ পর্যন্ত কাজী নুরুল হাসান সোহানের অপরাজিত ২৬ রানে ভর করে ৫ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় মাহমুদউল্লাহ একাদশ।

তামিম একাদশের হয়ে সাইফউদ্দিন নেন ৩ উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজ, খালিদ আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।

এমআর/

RTVPLUS