logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

মৌলভীবাজার-৪: প্রধান দু’দলেই একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী

চৌধুরী ভাস্কর হোম, মৌলভীবাজার
|  ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:৪২ | আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১০:৩২
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজার-৪ আসন। এরই মধ্যে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নানা কৌশলে গণসংযোগ করছেন। পাশাপাশি থেমে নেই অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও। ভোটাররা বলছেন, দল বা মার্কা দেখে নয়, সৎ এবং যোগ্য ব্যক্তিকেই প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে চান তারা। 

চায়ের রাজধানী হিসেবে খ্যাত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এবং আদিবাসী ও চা-বাগান অধ্যুষিত শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে নিয়ে গঠিত এখানকার ৪ নম্বর সংসদীয় আসন। 

দুই উপজেলা নিয়ে এই আসনের মোট আয়তন ৮৫১ দশমিক ৮৭ বর্গ কিলোমিটার। ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭শ’ জন। সর্বশেষ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ আসনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। এবারও আসছে নির্বাচনে নিজের মনোনয়ন এবং বিজয় নিয়ে শতভাগ আশাবাদী তিনি।  

মৌলভীবাজার-৪ এর সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ আমাকে দেবেন।

তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে দ্বিধা-বিভক্তির বাতাস। 

কমলগঞ্জ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, এই এলাকার মানুষ একটা পরিবর্তন চায়, মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের কিছু চাপা খোপ রয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক বলেন, আগামীতে শেখ হাসিনা তরুণ নেতৃত্বকে বেছে নিবেন এ বিশ্বাস থেকে আমি এই আসনের একজন প্রার্থী।

মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এম এ রহিম বলেন, যদি নেত্রী ত্যাগী সংগঠক হিসেবে খোঁজে তবে আমার উপরে শ্রীমঙ্গলে আর কেউ নেই।  

বিএনপি দীর্ঘদিন নির্বাচনের বাইরে থাকায় এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলসহ নানা কারণে ভাটা পড়েছে তাদের আগাম নির্বাচনী প্রচারণায়। তবে প্রার্থী মনোনয়নকে ঘিরে শোনা যাচ্ছে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের নাম। 

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর দরে এই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নিচ্ছি। নেতাকর্মী এবং এলাকার সাথে যোগাযোগ করছি।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন আহমেদ জিপু বলেন, আমার ইচ্ছা দলের জন্য, দেশের জন্য এবং এলাকার জন্যে কিছু করা, আমি যেহেতু শ্রীমঙ্গলের ছেলে আমার প্রথম কাজই হবে এখানকার জন্য কাজ করা।

তবে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে যাদেরই মনোনয়ন দেয়া হোক না কেন প্রতিনিধি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সচেতন এখানকার ভোটাররা। যা নিয়ে চা বাগান থেকে শুরু করে শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাটবাজার গুলোতে প্রতিদিনই চলছে নানা হিসেব-নিকেশ। 

আরও পড়ুন :

জেএম/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়