• ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬

যেসব আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নেই

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:২৮ | আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:৩০
আদালত ও নির্বাচন কমিশনের জটিলতায় অন্তত ১৬টি সংসদীয় আসনে এই মুহূর্তে প্রার্থী নেই ধানের শীষ প্রতীকের। এ নিয়ে সংকটে পড়লেও কিছুই করার নেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন দুইজোটের। ধানের শীষ না থাকা আসনগুলো হলো, ঢাকা-১, সিলেট-২, মানিকগঞ্জ-৩, জয়পুরহাট-১, নাটোর-১, রাজশাহী-৬, নওগাঁ-১, বগুড়া-৭, জামালপুর-১, দিনাজপুর-৩, চাঁদপুর-৪, ঝিনাইদহ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪।

whirpool
ঢাকা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবু আশফাক। উপজেলা চেয়ারম্যান নিয়ে আইনি জটিলতায় সর্বোচ্চ আদালতে তার প্রার্থিতা স্থগিত হয়। 

ঢাকা-২০ আসনে ধানের শীষের তমিজউদ্দিনের জায়গায় বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। এই আসনটিতে আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জেএসডির এম এ মান্নান (তারা) প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তাকেই সমর্থন দেবে ঐক্যফ্রন্ট। 

সিলেট-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি জটিলতায় সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েও তার প্রার্থিতা স্থগিত হয়। 

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ঋণ খেলাপের কারণে আফরোজা খান রিতার মনোনয়ন স্থগিত হয়েছে। 

জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী করা হয় ফজলুর রহমানকে। উপজেলা চেয়ারম্যান নিয়ে আইনি জটিলতায় গতকাল সর্বোচ্চ আদালতে তার প্রার্থিতা স্থগিত হয়। 

নাটোর-১ আসনে আইনি জটিলতায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মনজুরুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল হয়। সেখানে বিএনপির অধ্যক্ষ শিরিন আক্তার ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন। 

রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আবু সাইদ চাঁদ। উপজেলা চেয়ারম্যান জটিলতায় গতকাল সর্বোচ্চ আদালতে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় ওই আসনে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। 

রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন নাদিম মোস্তফা। আইনি জটিলতায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। 

ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আবদুল মজিদ। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। 

বগুড়া-৩ আসনে ধানের শীষের আবদুল মহিত তালুকদারের জায়গায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন (আপেল) এবং আবদুল মজিদের (ডাব) মধ্যে কোনো একজনকে সমর্থন দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনকে। কিন্তু তার প্রার্থিতা স্থগিত হয়ে গেছে। 

নওগাঁ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী দেওয়া হয় সালেক চৌধুরীকে। আইনি জটিলতায় গতকাল তিনি সর্বোচ্চ আদালতে হেরে যান।

চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন এম এ হান্নান। কিন্তু গতকাল উচ্চ আদালতে তার প্রার্থিতা স্থগিত হয়ে যায়। 

বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন মিল্টন মোর্শেদ। তার প্রার্থীতা বাতিল হয়ে গেছে। সেখানে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো প্রার্থী নেই। 

জামালপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে।

দিনাজপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। সেখানে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল নামে বিএনপির আরেকজন বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। এ নিয়ে দুলাল রিটও করেছেন। উচ্চ আদালতে আগামীকাল এ নিয়ে শুনানি রয়েছে। 

নীলফামারী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার হাইকোর্টের আদেশ প্রার্থিতা ফিরে পেলেও আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতে তা স্থগিত হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন :

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়