logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬

স্মার্টফোনে ২৫ শতাংশ শুল্ক পুনর্বিবেচনার দাবি

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৬ জুন ২০১৯, ২৩:০৪ | আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ০৯:৫৩
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস-বেসিস ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্টফোনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটায় ভ্যাট প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে তারা।

আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে হার্ডওয়্যার খাতের সংগঠন বিসিএস, সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বেসিস, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন (আইএসপিএবি) ও কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন (বাক্য) ২০১৯-২০ সালের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বাজেট বিষয়ে সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়। এসময় বিকাশমান খাত হিসেবে ই-কমার্সের উপর সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারেরও দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সরকার দেশীয় মোবাইল সংযোজন কোম্পানিগুলোকে প্রোটেকশন দেয়ার জন্য এ ভ্যাট আরোপ করেছে। কিন্তু আরোপিত ভ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে এটি ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। একইসঙ্গে ই-কমার্স খাতে এখনো ভ্যাট আরোপের সময় আসেনি। আগামী পাঁচ বছর ই-কমার্স খাতকে ভ্যাটের আওতা মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি।

বক্তারা বলেন, বাজেটে গত অর্থবছরের চেয়ে এ বছর ২১৭৬ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে; যা দক্ষ জনবল ও অবকাঠামো তৈরিতে পরিকল্পিতভাবে ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যাবে। ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশের ওপর মূসক অব্যাহতি ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০০ কোটি বরাদ্দ রাখার বিষয়টি ইতিবাচক। তবে বাজেটে ই-কমার্সসহ কয়েকটি খাতে ভ্যাট প্রত্যাহার করা দরকার।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এবারের বাজেটে সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চ্যুয়াল ব্যবসায় সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাটের কথা বলা হয়েছে। দেশের ই-কমার্স খাতকে ভার্চ্যুয়াল ব্যবসার ভেতরে ফেলায় নতুন এ খাতটির অগ্রগতির জন্য বাধার সৃষ্টি করবে। এ খাতে তাই ভ্যাট অব্যাহতির দাবি রাখে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং হার্ডওয়্যার পণ্যে ৫ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতি প্রয়োজন। ২৪ ইঞ্চি পর্যন্ত মনিটরের ওপর মূসক প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার সংজ্ঞায় হার্ডওয়্যারকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি এর সর্বশেষ
  • তথ্যপ্রযুক্তি এর পাঠক প্রিয়