• ঢাকা সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬

ঢাবিতে বৈশাখী কনসার্টের ব্যানার-ফেস্টুনে ভাংচুর-আগুন

ঢাবি সংবাদদাতা
|  ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০:০৬
ছবি-সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে চৈত্র সংক্রান্তিতে লোকসঙ্গীত ও পহেলা বৈশাখের দুই দিনব্যাপী কনসার্ট উপলক্ষে লাগানো ব্যানার, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন বুথ ও স্টলে ভাংচুর এবং আগুন দেওয়া হয়েছে। 

whirpool
শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে এ ঘটনা।  কনসার্টের আয়োজক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

সূত্র জানায়, বৈশাখী কনসার্টের এই আয়োজন সম্পর্কে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে জানানো হয়নি। ছাত্রলীগের অন্য তিন নেতা সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাবি সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে এ কনসার্ট আয়োজন করা হয়। এতে শোভনের অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়। তবে আগুন বেশিক্ষণ স্থায়ী ছিল না। এতে কয়েকটি ফ্রিজ পুড়ে যায় এবং স্টল ও ব্যানার ফেস্টুনের ক্ষতি হয়।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হল থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল মল চত্বরে নিয়ে আসে। এক পর্যায়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে থাকে ক্যাম্পাসে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর রাত পৌনে তিনটার দিকে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের এই তিন নেতা।

এসময় গোলাম রাব্বানী বলেন, এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা ছাত্রলীগ করতে পারে না। আগুন দেয়া বিএনপি জামায়াতের স্টাইল। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা ১৩ এবং ১৪ তারিখ সফল অনুষ্ঠান করার মাধ্যমে এটির জবাব দেব। 

হলে যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নেতাকর্মীদের আহ্বান করে তিনি বলেন, তারা চায়নি প্রোগ্রামটা হোক, আমরা যদি আরও ভালোভাবে করতে পারি তাহলে এটা হবে তাদের মুখে জুতা মারা। আমরা সর্বোচ্চ নির্বাহী পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, এ প্রোগ্রাম আমাদের ডাকসু এবং ছাত্রলীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা যতকিছুর বিনিময়ে হোক এটাকে সফল করব। যে কয়জন ছিল প্রত্যেকের নাম আমাদের কাছে আছে।

সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, যাদের নীতি নৈতিকতা নেই তারা নীতি বর্জিত কাজ করতে পারে। তোমরা হলে গিয়ে কোনও ধরণের বিশৃঙ্খলা করবে না। আমরা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে এটার বিচার চেয়েছি। এ বিচার নিশ্চয় হবে। এ ধরণের ছাত্রলীগ আমরা দেখতে চাই না। যদি তাদের বিচার না হয় তাহলে আমি সনজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করব।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, কি ঘটেছে সবাই এখান থেকে গিয়ে ভুলে যাবেন। পহেলা বৈশাখের কনসার্টে যারা আঘাত করেছে আমরা প্রশাসনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। 

নেতাকর্মীদের কোনও ধরণের ঝামেলায় না জানানের আহ্বান জানিয়ে সাদ্দাম আরও বলেন, তোমরা হলে গিয়ে কোনও ঝামেলা করবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের সবাইকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়