logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২ মাঘ ১৪২৭

করোনা ভ্যাকসিন

মন্ত্রী আশাবাদী, সচিব বললেন নির্ধারিত সময়ই টিকা আসবে

minister, optimistic, secretary, vaccine,sheduled time
মন্ত্রী আশাবাদী, সচিব বললেন নির্ধারণ সময়ই টিকা আসবে
দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ায় পরেই করোনার নমুনা পরীক্ষায় অ্যান্টিজেন টেস্টের পরামর্শ দিয়েছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা পরামর্শ দিলেও দীর্ঘ ৭ মাস পর স্বাস্থ্য বিভাগ অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দেয়। স্বাস্থ্য বিভাগ দোটানায় থাকায় তখন করোনার নমুনা পরীক্ষায় অ্যান্টিজেন টেস্টের সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। এরপর করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগে চীনের সিনোভেক কোম্পানির করোনা টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কথা থাকলেও সেটিও হয়নি। এবার ভারতের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইন্সটিটিউট থেকে বাংলাদেশের টিকা নিয়ে আসার বিষয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশ করা হচ্ছে।

আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) সচিবালয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশা করছেন, ভারত থেকে যথাসময়ে করোনাভাইরাসের টিকা আসবে। এর মধ্যেই যতটুকু কথা হয়েছে, তাতে আশা করছি সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার খবর আসার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া তারা কথা বলেছেন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের এদেশীয় এজেন্ট বেক্সিমকোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কথার পরিপ্রেক্ষিতে এবং টিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকার কারণে আমরা আশাবাদী, কোনো সমস্যা হবে না।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ওপর আমার আস্থা আছে। টিকার দাম বাবদ অর্থ ছাড়ের বিষয়টিও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এটা প্রায় ১২০ মিলিয়ন ডলার।

একই সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান বলেন, তার একটি বার্তা আছে। এ সময় মন্ত্রী বলেন, তিনি যা বলেছেন, তাই যেন বলা হয়। তখন সচিব বলেন, ভারতে টিকা রপ্তানির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশের সঙ্গে হওয়া চুক্তির ওপর পড়বে না। তিনি বলেন, তার সঙ্গে বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের কথা হয়েছে। যে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হচ্ছে, তা দেশটির অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে হওয়া চুক্তি। বাংলাদেশ যে চুক্তি করেছে, সেটা সরকারের সঙ্গে সরকারের। এটা আন্তর্জাতিক চুক্তি। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সেটি পড়বে না। তা ছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তিন কোটি ডোজ টিকার কথা বলেছেন।

সচিব বলেন, সুতরাং, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দুশ্চিন্তারও কিছু নেই। তা ছাড়া সেরামের টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারতের সরকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেতে আরও তিন সপ্তাহের মতো সময় লাগবে। তাই বাংলাদেশে টিকা আসার যে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, সে সময়ই টিকা আসবে।

অন্যদিকে আজ সোমবার দিল্লিতে বিবিসি বাংলাকে সেরাম ইন্সটিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন বলেছেন, টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ তাদের টিকা রপ্তানির ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে কোম্পানিটি এখন অন্য দেশে টিকা রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে, যা পেতে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তবে রপ্তানি শুরুর আগেই ভারত সরকারকে ১০ কোটি টিকা দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে তারা রপ্তানি করতে পারবে না, যেহেতু তাদের রপ্তানির অনুমতি নেই।


এফএ

RTV Drama
RTVPLUS