logo
  • ঢাকা রোববার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ৩ মাঘ ১৪২৭

খাদ্য হোক সবার আর কোনো মৃত্যু নয় ক্ষুধার জন্য

world food day,
খাদ্য হোক সবার আর কোনো মৃত্যু নয় ক্ষুধার জন্য
পৃথিবীর সৃষ্টির পর থেকে মানুষ যখন বুঝতে পারে তখন থেকে সে তার বেঁচে থাকার উপায় খুঁজে নেয় খাদ্যের মাধ্যমে।  মানব সভ্যতা নিজের প্রয়োজনে কৃষিকে করেছে নিজ হাতের জাদুকর ফসল উৎপাদনের ভাবনা।  পরিশ্রম এবং মেধা দিয়ে খাদ্যকে প্রক্রিয়াকরণ করে ক্ষুধা দারিদ্রতাকে বিদায় জানিয়েছে।

বাংলাদেশে এখন খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি রাষ্ট্র। অন্যদিকে কৃষি উৎপাদনের দিক দিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের নাম প্রশংসনীয়। দেশের মানুষ কল্যাণময় কর্ম দিয়ে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধিতে চলমান গতি আর বেগবান রেখেছে। 

বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন শুরু হয় ১৯৮১ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO (Food and Agricultural Organisation) প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্যের জোগান, দরিদ্র ও পুষ্টিহীনতা দূর করে ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে  FAO  তাদের কার্যক্রম শুরু করে।

 বাড়তে থাকা জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ পৃথিবীর প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে এখন প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন মানুষ দরিদ্রের জন্য খাদ্যের অভাবের মাঝে ধুঁকে মরছে। তাই FAO চেষ্টা  চালায় ২০১৫ সালের মধ্যে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে। কিন্তু খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি, দরিদ্রতা, অসম খাদ্য বণ্টন ইত্যাদির কারণে এটি ২১৫০ সালের আগে অর্জিত হবে না বলে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান জানান।

সকালের সূর্য আসে প্রতিটি রাতের শেষে, তবে কোটি মানুষ খাদ্যের অভাবে মরণকে বরণ করছে জানা-অজানার অনেক অধ্যায় দিয়ে। পৃথিবীর মানচিত্রের দলিলের সীমানায়  প্রতি বছর  প্রায় ১৩০ কোটি টনেরও বেশি খাদ্য অপচয় হয়! সভ্যতার বেড়াজালে মানবতার অধ্যায় সমাপ্ত হচ্ছে কি না তা ভাবার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কি না, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

খাদ্যের অভাবে কোনো মানুষের মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর বিষয়। বিশ্ব যখন আধুনিকতা বাতির আলোতে ক্ষমতার বল নিয়ে ভাবছে। তখন খাদ্য দিবসের স্লোগানে বলতে হয়, ’খাদ্য হোক সবার,আর কোন মৃত্যু নয় ক্ষুধার জন্য’।

জিএম/এম

RTV Drama
RTVPLUS