Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ০৯ মে ২০২১, ২৬ বৈশাখ ১৪২৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৯ মার্চ ২০২১, ১২:৪৯
আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২১, ১২:৫৩

আজ বিশ্ব ঘুম দিবস

Today is World Sleep Day, rtv
আজ বিশ্ব ঘুম দিবস

‘নিয়মিত ঘুম : স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ঘুম দিবস। প্রতি বছর মার্চ মাসের তৃতীয় শুক্রবার দিবসটি পালন করা হয়। ২০০৮ সালে প্রথমবার এই দিনটি পালন করে ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব স্লিপ মেডিসিন’ এর ওয়ার্ল্ড স্লিপ ডে কমিটি। এই কমিটির মূল উদ্দেশ্য, ঘুমের অভাবে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির বিষয়ে মানুষকে জানানো।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব স্লিপ মেডিসিনের অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ঘুম দিবস। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের অন্তত ১০০ মিলিয়ন মানুষের পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এছাড়া ২২ মিলিয়ন আমেরিকান নিদ্রাহীনতায় ভোগেন। গবেষণায় আরও দেখা যায়, ছুটির দিনে দুই ঘণ্টা বেশি ঘুমালে দেহঘড়ি (বডি ক্লক) ৪৫ মিনিট বিলম্বিত করে। এর ফলে ছুটির দিনগত রাতে ঘুম কম হয়, এতে পরের দিনের কাজে পরিশ্রান্ত মনে হয়, শরীর ও মন কাজের উপযোগী থাকে না। ঘুমের গুরুত্ব আমরা সবাই বুঝি। আসুন জেনে নিই ঘুমের উপকারিতা-

পর্যাপ্ত ঘুম হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে, নিয়ন্ত্রণে রাখে ওজন। ঘুম স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। ঘুম ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমায়। অতিরিক্ত বা খুব কম ঘুমের প্রভাব পড়ে আয়ুর ওপর। ২০১০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০-৭৯ বছর বয়সে মৃত নারীদের মধ্যে বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয়েছে কম বা বেশি ঘুমানোর জন্য।

কম ঘুমের কারণে হার্টের অসুখ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, অকাল বার্ধক্যের থেকে শরীরে জ্বলুনি অনুভূতি হয়। গবেষণা বলছে, যারা রাতে ৬ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমান, তারাই বেশির ভাগ এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন। কারণ তাদের রক্তে ইনফ্লামেটরি প্রোটিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। গবেষণায় ঘুমের নানা ইতিবাচক দিকের কথা বলা হয়েছে। নিয়মিত ভালো ঘুম হলে পরবর্তী জীবনে দারুণ প্রভাব পড়তে পারে। টেক্সাসের বেয়লর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড কগনিশন ল্যাবরেটরি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখানো হয়, মধ্যবয়সে ভালো ঘুম ভবিষ্যতের মানসিক প্রশান্তির জন্য দারুণ এক পুঁজি হিসেবে কাজ করে। মধ্যবয়স বলতে ত্রিশোর্ধ্ব সময়কে বোঝানো হয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ঘুমের টিপস : একটা নির্দিষ্ট সময় তৈরি করুন ঘুমাতে যাওয়ার ও ওঠার। দিনে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা ৪৫ মিনিটের বেশি যেন না হয়। ঘুমের অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে মদ্যপান নয়। ঘুমানোর আগে কিছুতেই ধূমপান করবেন না। ঘুমের আগে ব্যায়াম করবেন না। অত্যধিক মসলাদার খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাবেন না। বেছে নিন আরামদায়ক বিছানা।

শিশুদের জন্য ঘুমের টিপস : রাতে প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যেতে হবে। রাত ৯টা হলে সবচেয়ে ভালো। দিনে মাঝে মাঝে অল্প বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। শিশুর ঘুমানোর জায়গাটি হবে অন্ধকার, ঠিকঠাক তাপমাত্রা সম্পন্ন ও পরিচ্ছন্ন। শিশুকে একা ঘুমানোর অভ্যাস করান। ঘুমানোর আগে কোনোভাবেই ফোন, কম্পিউটার গেম ও টিভি দেখা যাবে না। অন্তত ২ ঘণ্টা আগেই বন্ধ করতে হবে।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS