logo
  • ঢাকা শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬

মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ২৯ মে ২০১৯, ১০:০৫ | আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, ১০:১৯
ফাইল ছবি
লোকসভা নির্বাচনের প্রচারণায় একে অপরকে ছেড়ে কথা বলেননি। তাই দল ছাপিয়ে এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচার কার্যত ‘মোদি বনাম দিদি’র লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জেতার পর সংসদের সেন্ট্রাল হলে সংসদীয় দলের বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রচারে কে কী বলেছেন, মনে না রেখে সকলে মিলে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চান।

তাই এবার সৌজন্য ও আনুষ্ঠানিকতায় সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বুধবারই দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি।

মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মমতার যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে করছেন। কারণ আগামীদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রয়োজনীয় কাজ করতে হবে। ফলে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য রক্ষা করা এখন তার পক্ষে জরুরি।

শপথে যাওয়া নিয়ে মমতা বলেন, সংবিধানে কয়েকটি আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। এটা সাংবিধানিক সৌজন্য। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের যখন আমন্ত্রণ পাই, তখন চেষ্টা করি যাওয়ার।

এদিকে শপথ অনুষ্ঠানে যাওয়ার বিষয়ে বিরোধী নেতা ও বেশ কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও আলাপ করেছেন বলে জানিয়েছেন মমতা। তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলেছি। আমার সঙ্গে দু-একজন মুখ্যমন্ত্রীরও কথা হয়েছে। এটা যেহেতু আনুষ্ঠানিক সরকারি কর্মসূচি, তাই তাকে সম্মান দিয়ে আমি যাবো।

অন্যদিকে জানা গেছে, শপথের পরের দিন বিরোধী শিবিরের নেতা-নেত্রীরা ভোট পরবর্তী প্রথম বৈঠকও সেরে নিতে পারেন। এতে মমতার আগ্রহ রয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারণায় মোদির দিকে বারবার কামান দাগিয়েছেন মমতা। এমনকি লোকসভা নির্বাচনের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাতের পর একে অপরের ওপর অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন। মোদির কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতাও নেই, গণতন্ত্রের থাপ্পড়- এ ধরনের বিভিন্ন মন্তব্য পেছনে আপাতত মোদির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের দিকেই জোর দিচ্ছেন মমতা।

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়