logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

কঙ্গোর বনরক্ষীদের সঙ্গে সেলফিতে পোজ দিলো গোরিলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:৫৬
ছবি: সংগৃহীত
গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে একজন বনরক্ষীর তোলা সেলফিতে দুটি গোরিলার স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি আলোচনা তৈরি করেছে। চোরাশিকারীদের হাতে তাদের বাবা-মা মারা যাবার পর গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে অবস্থিত গোরিলাদের অনাথাশ্রম ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে ছবির ওই গোরিলাগুলো বেড়ে ওঠে। খবর বিবিসি বাংলার।

bestelectronics
পার্কটির উপ-পরিচালক ইনোসেন্ট এমবুরানুমওয়ে বলেন, যেই সেবকরা শৈশব থেকে তাদের দেখাশোনা করেছে, গোরিলাগুলো তাদের সেবকদের অনুকরণ করা শিখেছে। তিনি বলেন, গোরিলাগুলো মন করে পার্কের ওই বনরক্ষীরা তাদের অভিভাবক।

উপ-পরিচালক জানান যে ওই দুটি গোরিলার মা ২০০৭ সালে চোরাশিকারীদের হাতে মারা যায়। সেসময় গোরিলা দুটির বয়স ছিল যথাক্রমে দুই এবং চার মাস।

ওই ঘটনার কিছুদিন পর গোরিলাগুলোকে ভিরুঙ্গার সেঙ্কুয়েকুয়ে আশ্রমে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তারা বেড়ে ওঠে।

এমবুরানুমওয়ে বলেন, যেহেতু তারা মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হয়েছে, তাই গোরিলাগুলো, ‘মানুষের অনুকরণ করে এবং মানুষের মতো দুই পায়ে দাড়িয়ে ছবি তুলেছে। তবে সাধারণত গোরিলারা এরকম করে না।’

আমি ছবিটি দেখে ভীষণ অবাক হয়েছি...এটি হাস্যকরও। একটি গোরিলা দুই পায়ে দাঁড়িয়ে মানুষের অনুকরণ করছে - বিষয়টি দেখতে যথেষ্ট হাস্যকর বলে জানান তিনি।

আপাতদৃষ্টিতে দেখে মজার কাজ মনে হলেও কঙ্গোতে বনরক্ষীর পেশাটি যথেষ্ট বিপদজনক। ১৯৯৬ সাল থেকে ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্কের ১৩০ জন বনরক্ষী নিহত হয়েছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে সরকারের সাথে বিভিন্ন সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের সংঘাতের ঘটনা ঘটে থাকে প্রায়ই। এই গ্রুপগুলোর কয়েকটির ঘাঁটি ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক এবং তারা অনেক ক্ষেত্রেই পশু চোরাশিকারের সাথে জড়িত থাকে।

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়