Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ০৫ জুন ২০২১, ১৮:৩১
আপডেট : ০৫ জুন ২০২১, ১৯:৪৩

মহাকাশে কেন পানি ভালুক আর স্কুইড পাঠালো নাসা

মহাকাশে কেন পানি ভালুক আর স্কুইড পাঠালো নাসা
সংগৃহীত ছবি

বিভিন্ন সময়ে মহাকাশ গবেষণা নিয়ে বিশ্ববাসীকে বিস্মিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তারই ধারাবাহিকতায়, এবার তারা মহাকাশে প্রাণি পাঠিয়ে ফের জন্ম দিলো বিষ্ময়ের।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১২৮টি স্কুইড এবং পাঁচ হাজার অণুবীক্ষণিক জীব পাঠিয়েছে নাসা। স্পেসএক্সের ফ্যালকন নাইন রকেটে চেপে মহাকাশ স্টেশনে যায় এসব প্রাণি। সঙ্গে রয়েছে নানারকম যন্ত্রপাতিও। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে জীবের ওপর স্পেস ফ্লাইটের প্রভাব বুঝতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুইডের ইমিউনো সিস্টেম মানবদেহের অনুরূপ। নাসা জানিয়েছে, দীর্ঘ মহাকাশ মিশনের সময় নভোচারীদের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য গৃহীত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের বিকাশের পক্ষে সহায়তা করতে পারে এই পরীক্ষা।

এক মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের পানি ভালুক অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। এমনকি উচ্চচাপ ও তেজস্ক্রিয় জায়গাতেও বেঁচে থাকতে সক্ষম এরা। যেখান এই ধরনের পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ প্রাণীই টিকে থাকার সক্ষমতা হারায়। মূলত প্রতিকূল পরিস্থিতে লড়াই করার এই ক্ষমতার কারণেই এই প্রাণীগুলোকে বিজ্ঞানীরা মহাকাশের গবেষণা চালানোর জন্য বেছে নিয়েছেন।

অপর দিকে, বোবটাইল প্রজাতির স্কুইডের বাচ্চাদেরও রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য। মাত্র তিন মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের এই প্রাণীটি অন্ধকারে নিজেদের আলোকিত করার ক্ষমতা রাখে। এই স্কুইডগুলো আলো না থাকলে বায়োলুমিনসেন্ট ব্যাকটেরিয়া থেকে এরা আলোকিত হওয়ার জন্য সহায়তা গ্রহণ করে।

তবে এটি অন্তর্নির্মিত নয়। বহু বছর ধরে ব্যাকটেরিয়াগুলো মহাসাগর থেকে স্কুইডের দেহে জমা হয়। গবেষকরা মহাশূন্যে যাত্রা শুরুর আগে বাচ্চা স্কুইডদের দেহে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করান।

নাসা জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে মহাকাশে জীব সম্পর্কিত অজানা তথ্যের উত্তর খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন গবেষকরা। অক্সিজেনবিহীন মহাকাশে জীবের সর্বোচ্চ ক্ষমতার পরীক্ষা করা হবে এই মিশনের মাধ্যমে।

বিএম/টিএস

RTV Drama
RTVPLUS