logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮

চাপের ‍মুখে ইমরান খানের সরকার

Imran Khan Govt at risk as his ministers unexpectedly losses senate
সংগৃহীত

কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে ইমরান খান সরকার। ক্ষমতায় আসার তিন বছরের মধ্যে প্রথমবার পাকিস্তানের সংসদের নিম্নকক্ষে ক্ষমতাসীন দল তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। সম্প্রতি সংসদের উচ্চকক্ষ সিনেটের ভোটে হেরে যান পাকিস্তান সরকারের অর্থমন্ত্রী।

সেই পরাজয়ের পরই নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আস্থা ভোটের পথে হেঁটে নিজের ও তার দলের শক্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন ইমরান। সিনেটে অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখের পরাজয় পিটিআইকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। এই আসনে জয় পান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি।

কিন্তু সিনেটে মাত্র একটি আসনে পরাজয়ের পরও কেন আস্থা ভোটের পথে হাঁটতে চাইছেন ইমরান? পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, শক্তিশালী জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিদের দ্বারা সিনেটের ভোট নির্ধারিত হয়। তাই সংসদে নিজেদের করে শক্তিমত্তা প্রমাণে আস্থা ভোট আয়োজন করতে চাইছে সরকার।

পাকিস্তান সরকার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনে ৩৪২ সদস্যের নিম্নকক্ষের বেশিরভাগ ভোটই পাবেন ইমরান। তবে এর আগে সিনেটের ভোটে এক অবাক করা ফল দেখেছে পাকিস্তান। সেখানে বিস্ময়করভাবে জিতে যান গিলানি।

ভোটাভুটিতে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী পান ১৬৪টি ভোট। আর ১১টি বিরোধী দলের সম্মিলিত প্রার্থী গিলানি পান ১৬৯টি ভোট। ৭টি ভোট বাতিল হয়। সংসদের নিম্নকক্ষে ১৮০ জনের সমর্থন রয়েছে ইমরান খানের। কিন্তু সিনেটের এই ফলাফলে নিম্নকক্ষে হিসাবটাও এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।

তবে সিনেটে ভোটাভুটিতে চূড়ান্ত ফলাফলে পিটিআই সর্বোচ্চ আসন দখল করেছে। তারা পেয়েছে ২৬টি আসন। কিন্তু উচ্চকক্ষে পিটিআইয়ের সংখ্যাগিষ্ঠতা থাকা এখনও মুশকিল। তাই আইন পাস করার ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হবে ইমরান সরকারকে।

RTV Drama
RTVPLUS