• ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

নেত্রকোনায় ২৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৫৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে নেত্রকোনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। রোববার একনেকের বৈঠকে রেকর্ড ৩৯টি প্রকল্প অনুমোদনের মাত্র দুইদিন পর আরও ২৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হলো।

এগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণে পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। তখন থেকে সরকার রুটিন দায়িত্বের পাশাপাশি আর কোনও কাজ করবে না। তার আগে মূলত রেকর্ড পরিমাণ প্রকল্প পাস করিয়ে নিচ্ছে সরকার।

তবে বুধবারের একনেক বৈঠক সরকারের এ মেয়াদে শেষ সভা কিনা তা স্পষ্ট করেননি পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, এটা শেষ একনেক সভা কি না, বলতে পারবো না। আমাদের কাছে অনুমোদন দেয়ার মতো আরও প্রকল্প আছে।

‘কিন্তু নির্বাচনী আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তো আর অনুমোদন দেয়া যাবে না।’

শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভার পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নেত্রকোনায় ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি নেত্রকোনা সদরে ৫০০ একর জমির ওপর স্থাপন করা হবে। ওই জমিতে ১০ তলা ভিতের ১০ তলা বিশিষ্ট তিনটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। ১০ তলা ভিতের ওপর ১০ তলার দুটি ছাত্রী ও দুটি ছাত্র হল এবং শিক্ষকদের জন্য ১০ তলা ভিতের ওপর একটি ১০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

এছাড়াও চার তলা ভিতের ওপর একটি চার তলার প্রশাসনিক ভবন, কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য ১০ তলা ভিতের ওপর আবাসিক ভবন, শিক্ষকদের জন্য ১০ তলা ভিতের ওপর একটি ১০ তলা ডরমিটরি ভবন তৈরি, উপাচার্য ও  রেজিষ্ট্রারের জন্য ২ তলা ভিতের ওপর দুই তলা বিশিষ্ট দুটি ডুপ্লেক্স বাংলো নির্মাণ করা হবে।

পাশাপাশি ৩ তলা ভিত্তির ওপর একটি তিনতলা বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবন, চার তলা ভিত্তির ওপর চার তলার একটি মেডিকেল ও ডে-কেয়ার সেন্টার এবং একটি ৫ তলা ভিত্তির ওপর ৫ তলা বিশিষ্ট একটি স্টাফ স্কুল ও কলেজ ভবন এবং উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারের জন্য একটি ৪ তলা ভিত্তি বিশিষ্ট ৪ তলার ভবন নির্মাণ করা হবে।

একনেকে অনুমোদন পাওয়া ২৮ প্রকল্পের মধ্যে আরও রয়েছে ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প;

‘নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ এবং অপসারণ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্প;  ‘বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া হতে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন’ প্রকল্প; ‘চা বাগান কর্মীদের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন’ প্রকল্প;  ‘সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প;  ‘উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসসমূহের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প।

এছাড়া রয়েছে ‘বিনিয়োগ বোর্ড ভবন (বর্তমানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিডা) ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প; ‘শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়, সদর গোপালগঞ্জ ও শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়, সুত্রাপুর, ঢাকা এর অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প; ‘চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে ১টি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন’ প্রকল্প; ‘চট্টগ্রামের ৩৬টি পরিত্যাক্ত বাড়িতে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্প; ‘৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প; ‘বৃহত্তর নোয়াখালী (নোয়াখালী-ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলা) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২’ প্রকল্প।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়