logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

২০ ছাত্রের চুল কাটলেন মাদরাসার অধ্যক্ষ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
আরটিভি অনলাইন
|  ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:১০ | আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:১৮
ছাত্র হল চুল
চুল কেটে দেয়ার পর পরীক্ষা না দিয়ে হলের বাইরে দাঁড়িয়ে ছাত্ররা
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২০ ছাত্রের চুল কাটলেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় পরীক্ষা না দিয়ে ছাত্ররা হল থেকে বেরিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় ছাত্ররা হলে ঢুকে পরীক্ষা দেয়। এ নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল বুধবার  উপজেলার কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার দাখিল শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়ামিন শিকদার, রমজান ফকির, ইয়াসিন খান, মাহামুদুল হাসান, রিপন, ইয়াসিন শেখ ও রহমত শেখ জানায়, গতকাল বুধবার তাদের বাংলা পরীক্ষা চলছিল। এ সময় হঠাৎ করে অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসাইন কাঁচি দিয়ে ২০ ছাত্রের মাথার চুল কেটে দেয়। এ ঘটনার পর ছাত্ররা পরীক্ষা না দিয়ে হল থেকে বেরিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যস্থায় ছাত্ররা তাদের পরীক্ষা শেষ করে ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ছাত্র জানায়, বাংলা পরীক্ষার প্রথম ঘণ্টা পড়ার পর হঠাৎ করে হুজুর আমাদের হলে ঢুকে সব ছাত্রের চুল কেটে দেয়। এ ঘটনার পর আমরা পরীক্ষায় না দিয়ে বেরিয়ে আসার পরে আমাদেরকে দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এরপরে আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি।

এ বিষয়ে কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি দাখিল শ্রেণির সকল ছাত্রকে পরীক্ষার আগের দিন চুল কেটে মাদরাসায় আসতে বলেছি। ছাত্ররা আমার কথার অবাধ্য হওয়ার কারণে ওদের চুল কেটে দিয়েছি। আমি ওদেরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে থাকা ও নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই চুল কেটে দিয়েছি। তবে আমি কাউকে ফরম পূরণ করতে দিব না একথা বলিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে বিধি মোতাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়