logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

গফরগাঁওয়ে নোলক দেখতে এক শো-তে তিন দর্শক

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
|  ১১ জুন ২০১৯, ১৩:০৯ | আপডেট : ১১ জুন ২০১৯, ১৩:২২
জেলার গফরগাঁও উপজেলায় সবেধন নীলমনি একমাত্র সিনেমা হল ‘রূপান্তর’ এ ঈদের ছবিতেও চরম দুরাবস্থা চলছে। গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিন হলটিতে গিয়ে মর্নিং শোতে মাত্র তিনজন দর্শক পাওয়া যায়।

whirpool
পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শুধু ঈদের দিন কয়েকশ দর্শক ছবিটি উপভোগ করেন। এতে ৬০-৭০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হয়। কিন্তু এরপর থেকে প্রতিদিন লোকসান গুণতে হচ্ছে।

হলের পরিচালক সূত্রে জানা যায়, সিনেমা ব্যবসা না চলার কারণে ৭-৮শ আসনযুক্ত পৌর শহরের একমাত্র সিনেমা হল রূপান্তর প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। এ অবস্থায় হল মালিক ভেতরের আসন, ফ্যান, লাইটসহ সকল কিছু বিক্রি করে দিয়েছেন। দুই ঈদে ছবি চালানোর জন্য পৌর প্যানেল মেয়র সাহজাহান সাজু ও ইমন নামে দুইজন সম্প্রতি হলটি ২৫ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়েছেন।

পরে দর্শকদের বসার জন্য ডেকোরেটরদের কাছ থেকে চেয়ার, ফ্যান ও লাইট ভাড়া করে আনেন। ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে ঈদুল ফিতরের দিন থেকে শাকিব খান-ববি হক অভিনীত নোলক ছবিটি চালানো হয়। এতে ঈদের দিন প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এরপর থেকে প্রতিটি শোতে হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক ছবিটি দেখতে আসেন। ফলে প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। আজ সোমবার মর্নিং শোতে সরেজমিন গিয়ে মাত্র তিনজন দর্শককে পাওয়া যায়।

পরিচালক দুজনের একজন ইমন বলেন, অপারেটর, গেটম্যান, মাইকিং, চেয়ার, লাইট, ফ্যান ও জেনারেটর ভাড়া বাবদ প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু সবগুলো শোতে সাকুল্যে টিকিট বিক্রি হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার। তাই প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে।

অপর পরিচালক পৌর প্যানেল মেয়র সাহজাহান সাজু বলেন, ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েও দর্শকদের হলে আনা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু ঈদের দিন ৬০-৭০ হাজার টাকার টিকিট সেল হয়েছিল। এর পর থেকে প্রতিদিন লোকসান হচ্ছে।

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়