logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

পুলিশ বলে ছাড় দেওয়া হবে না: পুলিশ সুপার

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
|  ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:২০ | আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:৩৭
মানিকগঞ্জে দুই দিন আটকে রেখে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ বলে কোনও ছাড় দেয়া হবে না। বললেন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিম। সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা তদন্তে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও ডিএসবির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দিকীর সমন্বয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরকে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তারা  এরইমধ্যে ওই তরুণী ও অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তদন্তে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। অপরাধ করলে ছাড় পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন তার খালার কাছ থেকে পাঁচ বছর আগে এক লাখ টাকা নেন। লাভসহ ফেরত দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চেয়েও টাকা পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই পাওনা টাকা আনতে গেল বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখানে সেকেন্দার হোসেনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি দুইজনকে নিয়ে ডাক বাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হন একই থানার আরেক এএসআই মাজহারুল ইসলাম।

পরে ওই তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে নিয়ে আটকে রাখেন পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তা। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকালে নির্যাতনের শিকার তরুণী ও তার খালাকে ডাক বাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে ওই তরুণী মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়