logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

ব্যাপারী না থাকায় পশুর দাম কম কালীগঞ্জে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
|  ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৪:২১ | আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩৩
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে চলছে শেষ মুহূর্তের গরু মোটাতাজাকরণের কাজ।

bestelectronics
দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এখন খামারিরা প্রস্তুত ব্যাপারী ও বিভিন্ন বাজারে গরু বিক্রির জন্য। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও গো-খাদ্যের দাম বেশি ও গরুর দাম ঠিকমতো না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন খামারিরা। শেষ মুহূর্তে বাজারে ভারতীয় গরুর আমদানি হবে এমন দুশ্চিন্তায়ও রয়েছেন তারা।

এদিকে গরু মোটাতাজাকরণের জন্য গমের ভূষি, খৈল, খড়, কাঁচা ঘাসসহ অন্যান্য খাবার খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে। কেউ খড় কাটছেন কেউবা গরু পরিষ্কার করছেন পানি দিয়ে। এভাবেই দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের খামারিদের গরু মোটাতাজাকরণের কাজ। সকলেরই লক্ষ্য কুরবানির ঈদে ভালো দামে গরু বিক্রি করে মিলবে বেশি টাকা।

কিন্তু গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খরচও হয়েছে বেশি। আর ঈদ ঘনিয়ে আসলেও খুব একটা দেখা মিলছে না ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বাইরের গরুর ব্যাপারীর। স্থানীয় বাজারেও নেই তেমন গরুর দাম। অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে বাজারে আসবে ভারতীয় গরু এমন শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা।

কালীগঞ্জ উপজেলার বারো বাজার, গাজীর বাজার, গান্না বাজার, নতুন বাজারে সপ্তাহে দুইদিন পশুর হাট বসে। শহরের নতুন বাজার পশুর হাটে গিয়ে ক্রেতার সংখ্যা অতি নগণ্য দেখা যায়।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : ঝিনাইদহের মহাসড়কগুলো বেহাল, বৃষ্টিকেই দায়ী কর্তৃপক্ষের
------------------------------------------------------------------

ব্যাপারী বিশারত আলী আরটিভি অনলাইনকে জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে খামারিরা ঢাকা ও চট্টগ্রামে গরু রপ্তানি করে থাকেন। কিন্তু এবার ব্যাপারী না আসায় গত বছরের তুলনায় গরুর দাম কম। তবে সীমান্ত দিয়ে গরু আসা বন্ধ হলে তারা লাভ করতে পারবেন বলে জানান।

ব্যবসায়ী শাহজাহান আলী বলেন, গরু কিনতে বাইরের খরিদ্দার তেমন আসছে না। শেষ মুহূর্তে যদি ভারতীয় গরু বাজারে আসে তাহলে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।

খামারি বাপ্পারাজ বলেন, এবার গো-খাদ্যের দাম বেশি। এখন কিছুটা লোকসান হলেও শেষ মুহূর্তে তারা ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদী।

প্রাণিসম্পদ অফিসের দেয়া তথ্য মতে এবার কুরবানির ঈদকে ঘিরে উপজেলায় তিন হাজার গরু, পাঁচ হাজার ছাগল ও একশ’ ভেড়া বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। 

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, উপজেলায় পালিত গরুই কুরবানির চাহিদা পূরণ করতে পারবে। ফলে বাইরের গরু আমদানির প্রয়োজন নেই।


আরও পড়ুন :

 

জেবি

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়