Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

জেলা জজের খাস কামরায় চুরি 

জেলা জজের খাস কামরায় চুরি 

চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজের খাস কামরা ও এজলাসে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (৮ মে) সকাল ৮টার পরে জেলা জজের অফিস সহায়ক বাসু দরজা খুলতে এসে দেখেনে খাস কামরার দরজার খোলা। বিষয়টি তিনি নাজিরকে জানালে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারেন। এর আগে শনিবার (৭ মে) দিনগত রাতের কোন এক সময়ে এ ঘটনা সংঘটিত হয় বলে ধারণা করছেন আদালতের লোকজন।

এদিকে খবর পেয়ে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলশের টিম এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং চুরির আলামতগুলো দেখেন।

জানা গেছে, জজ আদালতের দ্বিতীয় তলার রেলিং ভেঙে দুর্বৃত্তরা এজলাসের দরজা খুলে ভেতরে ঢোকেন। এরপর খাস কামরা থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটর, কম্পিউটার সিপিইউ, টিস্যু বক্স, চশমা, মাইক সেট, পানি গরম রাখার ফ্লাক্স, গাড়ির কাগজ, বেশ কয়েকটি মাল্টিপ্লাগ বস্তায় ঢুকিয়ে আদালত এলাকার একটি ডোবার পাশে এনে ফেলে যায়। তবে জেলা ও দায়রা জজের খাস কামরা থেকে কোনো প্রকার নথি খোয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে চোর জেলা জজের ব্যবহৃত টেবিলের ওপর রাখা জরুরি কাগজপত্র মেঝেতে এলোমেলো ভাবে ফেলে রেখে যায়। তবে দীর্ঘ সময় জেলা জজের খাস কামরায় ও এজলাসে অবস্থান করলেও আদালত এলাকায় দায়িত্বরত নৈশ প্রহরীরা বিষয়টি টের পায়নি। এছাড়াও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আদালতের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চোর জেলা ও দায়রা জজের খাস কামরা থেকে এমপ্লিফায়ার, সিসিটিভির মনিটর, কম্পিউটার সিপিইউ, টিস্যু বক্স, চশমা, মাইক সেট, ফ্লাক্স, গাড়ির কাগজ, বেশ কয়েকটি মাল্টিপ্লাগ নিয়ে যায়। সেসব জিনিস দুটি বস্তায় ঢুকিয়ে পাশের একটি ডোবায় ফেলে যায়। পরে থানা পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই টিম ঘটনাস্থলে এসে ফেলে যাওয়া জিনিসগুলো উদ্ধার করে। ঘটনাটি পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি আবদুর রশিদ জানান, আমরা সিসিটিভির ফুটেজ দেখছি। তবে বিচারকরকরা জানিয়েছেন, যা যা খোয়া গেছে সব উনারা পেয়েছেন। তারপরও আরও কিছু আছে কিনা তা দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও এজাহার দাখিল হয়নি।

তিনি আরও জানান, চোর ধরার জন্য আমরা তৎপর আছি। দুই নৈশ প্রহরীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বলেন, কোর্টের বাইরে থেকে কিছু মালামাল আমরা উদ্ধার করেছি। চোর ধরার জন্য আমাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS