Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২, ৪ মাঘ ১৪২৮

বগুড়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:২১
আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:২৪
discover

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যায় গ্রেপ্তার ৩ 

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যায় গ্রেপ্তার ৩ 
আটককৃত আসামিরা

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শুটার রাসেলকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানান। এ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অরেঞ্জ হত্যায় তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার (স্কোয়াড্রন লিডার) সোহরাব হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঢাকাস্থ র‌্যাবের একটি দল গত সোমবার রাত ১০টায় অভিযান পরিচালনা করে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে ঢাকায় র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের নিয়মানুযায়ী বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

র‌্যাব কমান্ডার আরও জানান, সোমবার (১০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া র‌্যাব-১২ এর একটি দল খাইরুল ইসলাম নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত খায়রুল বগুড়া শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার বাসিন্দা এবং শহর যুবলীগের ৮ নম্বর ওর্য়াডের সাধারণ সম্পাদক এবং অরেঞ্জ হত্যা মামলার ৩নং আসামি। গত সোমবার রাত ১১টায় বগুড়ায় প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জ মৃত্যুবরণ করেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে টানা আট দিন তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। নিহত অরেঞ্জ মালগ্রাম দক্ষিণপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ বগুড়া জেলা শাখার সাহিত্য ও সংস্কৃতি-বিষয়ক সহ-সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, একটি নারীঘটিত কারণে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ হয়। এর জের ধরে অরেঞ্জ ও আপেলকে গুলি করা হয়। এর আগে ঈদুল ফিতরের পর একবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই হামলার শিকার গ্রুপটিই প্রতিশোধ নিতে এবার গুলি চালায়।

ঘটনার দিন সাড়ে ৮টার (রাত) দিকে অরেঞ্জ ও আপেল মালগ্রাম ডাবতলার মোড়ে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় মালগ্রাম বেলতলা মোড় থেকে ৪ থেকে ৫টি মোটরসাইকেলে একদল যুবক ডাবতলা মোড়ের দিকে যায়। তাদের মধ্য থেকে দু’জন অরেঞ্জ ও আপেলকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি গুলি করে। দু’টি গুলি অরেঞ্জের বাম চোখের নিচে লাগে। আর তার সঙ্গে থাকা আপেলের পেটে গুলি লাগে।

অরেঞ্জের স্ত্রী স্বর্নালি আক্তার বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার এস আই জাকির আল আহসান জানান, গত বৃহস্পতিবার টিপু নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মালগ্রামের কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা । এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

জিএম/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS