Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ২৩ নভেম্বর ২০২১, ২০:৩০
আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২১, ২০:৩৯

চিকিৎসক না হয়েও ‘ডাক্তার’ পদবি লিখে প্রার্থীর প্রচারণা

চিকিৎসক না হয়েও ‘ডাক্তার’ পদবি লিখে প্রার্থীর প্রচারণা
ডাক্তার লিখে প্রার্থীর প্রচারণা

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী চিকিৎসক না হয়েও পোস্টারে ডাক্তার লিখেছেন।

এ ঘটনায় গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোজাম্মেল হক খান (আনারস)।

নামের আগে ডাক্তার লেখা ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ডা. আ. জলিল সরদার। তিনি ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডাকের হাটি গ্রামের মৃত চান সরদারের ছেলে। নাগেরপাড়া ইউপি নির্বাচনে 'চশমা' প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।

এছাড়া তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক ছিলেন এবং ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নাগেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে গোসাইরহাট উপজেলার নলমুড়ি, নাগেরপাড়া, সামান্তসার, গোসাইরহাট, কুচাইপট্টি, আলাওলপুর ও কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদে (৭টি ইউপিতে) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার ৯৯ হাজার ১৯৭। পুরুষ ভোটার ৫১ হাজার ২১৪ এবং নারী ভোটার ৪৭ হাজার ৯৮৩ জন। মোট কেন্দ্র ৬৩ টি ও বুথ ৩০৪টি। চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৮ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য ৭৩ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ২০২ জন।

অভিযুক্ত জলিল সরদার আরটিভি নিউজকে বলেন, আমি কোনো এমবিবিএস ডাক্তার নই। আমার বড় কোনো সার্টিফিকেট নেই। আমি একজন ডাক্তারের সঙ্গে থেকে কাজ করেছি। পরে পল্লি চিকিৎসক হয়েছি। জেলা, উপজেলা ও আমাদের এলাকায় আমি ডাক্তার হিসেবে পরিচিত। আমার পোস্টারে ডাক্তার দেখে বাড়াবাড়ি করছে প্রতিদ্বন্দ্বীরা। পোস্টার বাদ দিলেও আমি জলিল ডাক্তার। আমি প্রত্যন্ত অঞ্চলে যখন ডাক্তারি করেছি। মানুষকে সেবা দিয়ে মানুষের মন জয় করেছি। এই সেবার কারণেই আমি মেম্বার ও চেয়ারম্যান হয়েছিলাম।

এদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোজাম্মেল হক খান আরটিভি নিউজকে বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জলিল সরদার ডাক্তার না হয়েও ব্যানার, পোস্টারে নামের আগে ডাক্তার ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ডাক্তার লিখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমার দৃষ্টিতে এটা প্রতারণা। তাই আমি গত ২০ নভেম্বর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, রির্টানিং কর্মকর্তা ও ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। তারা কি ব্যবস্থা নিয়েছে আমি অবগত নই।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। এ পর্যন্ত যতটুকু পেয়েছি তার পেশা ডাক্তার না, অন্য পেশার মানুষ তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ভোটার তালিকা ডাটাবেজে যা উল্লেখ আছে তার শিক্ষাগত যোগ্যতায়, তাতে ডাক্তার শব্দটা যায় না। তদন্তপূর্বক তাকে শোকজ করবো। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জিএম/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS