Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

মোস্তফা কামাল নান্নু, টাঙ্গাইল

আরটিভি নিউজ

  ০৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩২
আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫২

ওয়াটারগার্ডেন ও স্পা সেন্টারের বাউন্ডারির ভেতরেই বালিকা উচ্চবিদ্যালয়

ওয়াটারগার্ডেন, ও, স্পা, সেন্টারের, বাউন্ডারির, ভেতরেই, বালিকা, উচ্চ, বিদ্যালয়, 
মার্থা লিডস্ট্রিম নুরজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনজর ওয়াটারগার্ডেন ও স্পা সেন্টারের বাউন্ডারির ভেতরেই বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। একই গেট ব্যবহার করে একই রাস্তা দিয়ে নারী-পুরুষ স্পা সেন্টারে বিনোদন করতে যাচ্ছেন। আবার একই সময় স্কুলগামী কিশোরীরা স্কুলে প্রবেশ করছে। এতে হতাশ আর আতঙ্কিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দ্রুত স্কুলের আলাদা বাউন্ডারি ও গেট নির্মাণের দাবি তাদের। এদিকে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক বিষয়টি দৃষ্টিকটূ ও অশোভনীয় স্বীকার করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

১৯৯২ সালে স্থানীয় প্রভাবশালী আখতার হামিদ মাসুদ, তার ছোট ভাই আহসান হাবিব এবং তাদের বন্ধু নরওয়ের এক নাগরিক মিলে মার্থা লিডস্ট্রিম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। স্কুলটিতে উপজেলার দাপনজর ও আশেপাশের গ্রামের প্রায় আড়াই শতাধিক উঠতি বয়সী কিশোরীরা পড়ালেখা করছেন।

এদিকে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা স্কুল নির্মাণের পরেই স্কুলের পাশেই বিশাল জায়গা নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ওয়াটারগার্ডেন ও স্পা সেন্টার নির্মাণ করেন এবং স্কুলের গেট ব্যবহার করেই গত বছর থেকে ওয়াটার গার্ডেন ও স্পা সেন্টারটি চালু করেছেন। একই গেট দিয়ে বিভিন্ন জায়গার তরুণ-তরুণীরা বিনোদন করতে স্পা সেন্টারে যাচ্ছে, আবার একইসঙ্গে উঠতি বয়সী কিশোরী শিক্ষার্থীরা স্কুলে প্রবেশ করছে। এতে শিক্ষার্থীরা যেকোনো মুহূর্তে বিপদগামী হওয়াসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকরা। দ্রুত স্কুলের বাউন্ডারিসহ পৃথক গেট ব্যবহারের দাবি তাদের।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামের ভেতর এমন একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই কাম্য নয়। এতে করে স্থানীয় তরুণ-তরুণী স্কুলশিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

মার্থা লিডস্ট্রিম নুরজাহান বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মানসুর রহমান বলেন, তিনি নিজেও উৎকণ্ঠায় থাকেন, যেকোনো মুহূর্তে অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। স্কুল বাউন্ডারি ও গেট পৃথক করার দাবি জানান তিনি।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি বলেন, বিষয়টি দৃষ্টিকটূ ও অশোভনীয়। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই শতাধিক কিশোরী শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭ জন এসএসসি পরীক্ষা দেবে। আর প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা উপজেলার শত শত বিনোদনপ্রেমী বিভিন্ন বয়সীরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা সেন্টারে আনন্দ করতে আসেন।

এনএইচ/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS