Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

৩০ দিনে ঝুলন্ত সেতু পেল ৫ গ্রামের মানুষ

৩০ দিনে ঝুলন্ত সেতু পেল ৫ গ্রামের মানুষ
সেতু পেল গ্রামের মানুষ

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদরের ধলিয়া খালের ওপারে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর ও বড়ঝালাসহ ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। বর্ষা এলেই খালের ওপারের বাসিন্দারা মাটিরাঙ্গার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এই খালের ওপরে সেতু নির্মাণ প্রতিশ্রুতিতেই আটকে আছে কয়েক দশক ধরে। ফলে দুর্ভোগ কমেনি এই এলাকার মানুষের।

এদিকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নজনের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কয়েক বছর আগে নিজেদের প্রচেষ্টায় নিজেরাই কাঠের ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ৫ গ্রামের মানুষ। সম্প্রতি প্রবল বর্ষণে সেই কাঠের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ফের দুর্ভোগে পড়েন তারা।

তবে ফেসবুকে এই সংবাদ প্রকাশ পেলে সেতুটি নির্মাণে এগিয়ে আসে প্রশাসন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা) মো. হেদায়েত উল্যাহকে দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার অর্থায়নে জনদুর্ভোগ লাঘবে কাঠের ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন ইউএনও মো. হেদায়েত উল্যাহ। এর ৩০ দিনের মাথায় মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সেতুটি নির্মাণ শেষে ফের জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এতে দীর্ঘ ভোগান্তি লাঘব হয়েছে ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের।

ধলিয়া খালটি ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মিজানুর রহমান খোকন বলেন, সারা বছরই ধলিয়া খালে পানি থাকে। ফলে ভোগান্তি মানুষের পিছু ছাড়ে না। সাম্প্রতিক প্রবল বৃষ্টিতে ভেঙে যায় কাঠের ঝুলন্ত সেতু। তবে সেতু নির্মাণ করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি জনদুর্ভোগ লাঘবে ধলিয়া খালের ওপর পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা) মো. হেদায়েত উল্যাহ বলেন, বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসক মহোদয় নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন ও জীবিকার কথা চিন্তা করে জনস্বার্থে সেতুটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। নির্মাণ শেষে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেয়া হলো।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS