Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

গরীবের চাল নিয়ে চালবাজি

গরীবের চাল নিয়ে চালবাজি
ছবি আরটিভি নিউজ

কুড়িগ্রামের উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থদের জন্য দেয়া ভিজিএফ এর দেড়শ বস্তা নিম্নমানের পচা চাল ফেরত দিয়েছেন।

উলিপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলাউদ্দিন বসুনিয়া আরটিভি নিউজকে জানান, ঈদ উপলক্ষে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৮শ ৩ মেঃটন চাল ভিজিএফ এর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী হাতিয়া ইউনিয়নে বিতরণের জন্য ৬৩ মেঃটন প্রায় ২শ ১০ কেজি চাল বরাদ্দ হয়।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে হাতিয়া ইউনিয়নের জন্য ভিজিএফ এর বরাদ্দকৃত চাল বুঝে নেয়ার সময় পুরাতন বস্তা ও সরকারি সীলমোহর না থাকায় সন্দেহ হলে বস্তার চাল খুলে দেখা যায় যে সেগুলো খুবই নিম্নমানের ও খাবারের অযোগ্য।

চেয়ারম্যান বলেন, খারাপ চালের বিষয়টি আমি ইউএনও ও খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তারা চালের বস্তাগুলো খাদ্য গুদামে ফেরত পাঠাতে বলেছেন। ওই গাড়ির বস্তা গুলোর চাল খুবই নিম্নমানের এবং খাওয়ার অযোগ্য পচা লাল রঙের চাল হওয়ায় তা সরকারি খাদ্য গুদামে আবার ফেরত পাঠানো হয়।

খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বলছেন, এ চাল আমি গুদাম থেকে সরবরাহ করিনি। অপরদিকে গাড়ির চালক বলছেন চালের বস্তা সরকারি গুদাম থেকে আনা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন খাদ্য ব্যবসায়ী আরটিভি নিউজকে জানান, উলিপুর সরকারি খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা ও ধান চাল ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন থেকে এ ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত। খাদ্য গুদামের কর্মকর্তার যোগসাজশে গুদাম থেকে উন্নত মানের চাল ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে পাঠানোর সময় পথিমধ্যে ওই সিন্ডিকেটের ব্যবসায়ীদের গুদাম থেকে ভালো চাল পরিবর্তন করে নিম্নমানের খাবার অযোগ্য চাল সরবরাহ করা হয়।

উলিপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) শাহীনুর রহমান আরটিভি নিউজকে বলেন, খাদ্য গুদাম থেকে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ এর চাল সরবরাহ করা হচ্ছে। গুদাম থেকে ভাল চাল পাঠানো হয়েছে। নিম্নমানের চাল সেখানে কিভাবে গেল তা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-এ-জান্নাত রুমি আরটিভি নিউজ বলেন, থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS