Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮

কক্সবাজারে র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই 

ইয়াবা ও দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
ইয়াবা ও দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট বাহিনীর। এ সময় ইয়াবা ও দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) ভোরে হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের পাহাড়ের পাদদেশে র‌্যাব ও ডাকাত দলের গুলিবিনিময়কালে শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত দলের হাসেম বাহিনীর প্রধান হাসিমুল্লাহ (৩৩) নিহত হয়েছেন। নিহত হাসিমুল্লাহ জাদিমুড়া ২৭নং রোহিঙ্গা শিবিরের সি ব্লকের বশির আহমদের ছেলে।

টেকনাফ র‌্যাব ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেনেন্ট মাহবুবুর রহমান জানান, ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া ২৭নং রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড়ের পাদদেশে অস্ত্রধারী ডাকাত দলের অবস্থান জানতে পেরে অভিযানে যায় র্যা ব-১৫ এর একটি দল। র্যা বের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল র্যা বকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় র্যা বও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। গুলিবিনিময়ের এক পর্যায়ে ডাকাতদল পিছু হটতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারসহ গুলিবিদ্ধ আহত ওই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লে. মাহবুব আরো জানান, এ ঘটনায় র্যা বের দুই সদস্য আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহত হাশেমুল্লাহ শীর্ষ ডাকাত দল হাসেম উল্লাহ বাহিনীর প্রধান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্রসহ প্রায় এক ডজন মামলা রয়েছে। তার মরদেহে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

অপরদিকে গতকাল (১৫ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উখিয়ায় বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লুৎফুর রহমান প্রকাশ লুতু (৪০) নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এই সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা দেশীয় তৈরি বন্দুক ও ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পালংখালি ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া কেওরতলি খালপাড়ে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

তিনি নলবনিয়ার গোচার ঘোনা গ্রামের জালাল আহমদের ছেলে। বিজিবির দাবি নিহত লুৎফুর ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি।

এ ব্যাপারে কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে নলবনিয়ায় ইয়াবা লেনদেনের খবর পেয়ে বিজিবি গেলে মাদককারবারীরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এবং তাদের হাতের বল্লম দিয়ে বিজিবির এক সিপাহির মাথায় আঘাত করে। পরে এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় বিজিবি। এতে মাদক কারবারিরা পিছু হটে।

অধিনায়ক আরো জানান, বিজিবির গুলিতে আহত বা নিহত সেটা আমরা নিশ্চিত নই। দুপক্ষের গোলাগুলির পর তাকে কেওরতলি খালপাড়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। লুতুর বিরুদ্ধে কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও ইয়াবা কারবারের দায়ে ১২টি মামলা রযেছে।

পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS