Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮

২৫ বছর আগে মারা যাওয়া শরিফুল মামলায় পলাতক আসামি

ছবি সংগৃহীত।

২৫ বছর আগে আত্মহত্যা করেছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম। সম্প্রতি মাদকের একটি মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে। ১ মে দর্শনা থানায় মামলাটি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সম্প্রতি থানা-পুলিশ তদন্তে গেলে শরিফুলের মারা যাওয়ার বিষয়টি জানাজানি হয়। বিষয়টি নিয়ে মামলার বাদী ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পক্ষ থেকে অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধীন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী সীমান্তচৌকি। গত ৩০ এপ্রিল রাতে নায়েব সুবেদার নুরুল হকের নেতৃত্বে একটি দল চুয়াডাঙ্গা সদরের আকন্দবাড়িয়া গ্রামের গাঙপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় ছয় বোতল ফেনসিডিলসহ বিলু খাতুন (৪৫) তার ছেলে উজ্জ্বল (২৭) ও মো. নিজামকে (৫২) আটক করে।

ওই অভিযানের সময় ৬ জন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে নায়েব সুবেদার নুরুল হক ১ মে দর্শনা থানায় মোট নয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।

আর এ মামলায় আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া ছয়জনকে পলাতক আসামি হিসেবে অবিহিত কয়া হয়েছে।

এজাহারে শরিফুলের নাম চলে আসার ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এজাহার সংশোধন করে আদালতকে জানানো হবে। ছয়জন হলেন বিলু খাতুনের মৃত স্বামী শরিফুল ইসলাম, আকন্দবাড়িয়ার বাসিন্দা আকাশ (২৬), বাতাস (২২), বিপুল (৩৫), লিটন (৪০) ও সবুরা খাতুন (৪০)। তারা সবাই একে অপরের আত্মীয়।

মামলার তদন্ত করছেন দর্শনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ জানান, শরিফুলের জন্মস্থান গাইদঘাটে হলেও থাকতেন আকন্দবাড়িয়ায়। ২৫ বছর আগে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেন। শিগগিরই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে। সেখানে শরিফুলের মারা যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হবে।

এদিকে রোববার (৯ মে) মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল আহসান জানান, এজাহারে শরিফুলের নাম চলে আসার ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এজাহার সংশোধন করে আদালতকে জানানো হবে।

এম

RTV Drama
RTVPLUS