logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৮

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

A fine of Tk 50,000 for illegal sand extraction
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট এলাকার বালুখালি (প্রকাশ মাইচকান্দি) খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় তিনটি মিনি পিকআপসহ ৩০ হাজার টাকার বালু জব্দ করেছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান বিন মাজেদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট এলাকার বালুখালি (প্রকাশ মাইচকান্দি) খাল থেকে সারাবছর অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে এক শ্রেণীর বালুদ্যসুরা। বালুদ্যসুরা বালুখালি (প্রকাশ খাট্টসা) খালের ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন না করে অবৈধভাবে মাইচকান্দি খাল থেকে বালু উত্তোলন করত। বছরের পর বছর দিন রাত বালু উত্তোলন চলমান থাকলে ও প্রশাসনের তেমন কোন পদক্ষেপ কিংবা হস্তক্ষেপ না থাকার ফলে ঐ এলাকায় বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলে। বালুদ্যসুরা নিজেদের দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে দেখানো হয় ভয়ভীতিসহ মামলার হুমকি। তাই এ সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে কথা বলতে চায় না। কথা বলেই মিথ্যা মামলা-হামলার শিকার হয় ভুক্তভোগীরা। যার কারণে বালু দস্যুদের ভয়ে কেউ মুখ খোলে না। প্রতিদিন ১ লাখ বর্গফুট বালু উত্তোলন করা হয়। প্রতিদিন ১ হাজার গাড়ি বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।

অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের মাঝে সবচেয়ে আলোচিত বালুদ্যসুরা হলেন, যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ মামুন, কোরবান আলী, আবুল বশর। কোরবান আলী ও আবুল বশর বলেন, আমরা যুবলীগ নেতা মামুনের বালু উত্তোলন করছি।

যুবলীগ নেতা মামুন বলেন, আমরা আর এবছর বালু উত্তোলন করব না। বৈধ কাগজপত্র থাকলে কেন প্রশাসন অভিযান চালালো, এমন প্রশ্নের জবাবে কোন উত্তর দিতে পারেননি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান বিন মাজেদ বলেন, মাইচকান্দি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জাহেদ নামে একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ৩টি পিকআপ ও ৩০ হাজার টাকার বালু জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত বালু নিলামে বিক্রি করে ওই টাকা সরকারি ফান্ডে জমা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা বালু উত্তোলন করছে তারা একটি খাল ইজারা নিয়ে অন্য একটি খাল থেকে বালু উত্তোলন করাচ্ছে। বালু উত্তোলনকারীরা যে খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে সেটি বনবিভাগের খাল। বনবিভাগের খাল ইজারাকৃত নয়। বন বিভাগ কখনো মাইচকান্দি খাল ইজারা দেয়নি। যেখানে অবৈধ বালু উত্তোলন করা হবে, সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনস্বার্থবিরোধী কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কোনো ছাড় নয়।

পি

RTV Drama
RTVPLUS