logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮

সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতারক ব্যবসায়ী 

Fraudulent traders from vegetable sellers
সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতারক ব্যবসায়ী 

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার চেক প্রতারণা মামলার পলাতক আসামি হাসানকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীদের নানান প্রলোভন দেখিয়ে পাথর বাকী নিয়ে এ প্রতারণা করেন তিনি।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. হাসান জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলাধীন ভজনপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং হাসান ওই এলাকার শামসুল হকের ছেলে। তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের প্রলোভন দেখিয়ে পাথর ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করতেন।

মামলা এজাহার সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে এসে বাংলাবান্ধা এলাকায় সোলেমান পাশা নামে এক ব্যবসায়ী পাথরের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা শুরুর প্রথম দিকে তার ব্যবসা ভালোই চলছিল। এ সময় হাসান নামে ওই প্রতারক সাথে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে হাসান এই সুযোগের সৎ ব্যবহার করে ১৫ লক্ষ টাকার পাথর বাকি নিলে ব্যবসায়ী সোলেমান পাশাকে দেন ১৫ লক্ষ টাকার উত্তরা ব্যাংকের চেকের পাতা। ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে ওই ব্যবসায়ী দেখে হাসানের একাউন্টে কোন টাকা নেই।

পরে তার পাওনা টাকা না পেয়ে গত ২০১৮ সালে প্রতারক হাসানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করলে গত ২৮ মার্চ পঞ্চগড় যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের বিচারক যুগ্ম দায়রা জজ মোছা. মর্জিনা খাতুন ১৮৮১ সালের সালের দি শিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার অপরাধে হাসানকে দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও চেকে বর্ণিত ১৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। তবে হাসান পলাতক থাকায় মামলার শুনানির সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসাবে এডভোকেট জাফর ইকবাল (সুমন) উপস্থিত ছিলেন।

প্রতারক হাসানের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা ৩টি মামলা দায়ের করে। তবে তার মধ্যে একটি মামলার রায় হলেও অপর দুটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে।

এই বিষয়ে পঞ্চগড় দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এডভোকেট মির্জা সুলতানে আলম জানান,হাসান নামে ওই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পলাতক আসামি হাসানকে এক বছরের কারাদণ্ড ও চেকের উল্লেখিত সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা করেছে৷

জিএম

RTV Drama
RTVPLUS