logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১১ মাঘ ১৪২৭

আনুশকার মৃত্যু রহস্য আটকে আছে কেমিক্যাল রিপোর্টে

mystery, Anushka, death, stuck, chemical, report
আনুশকার মৃত্যুর রহস্য আটকে আছে কেমিক্যাল রিপোর্টে
রাজধানীর কলাবাগানের বন্ধুর বাসায় গিয়ে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য আটকে আছে কেমিক্যাল রিপোর্টে। আজ শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট যোনি ও পায়ুপথে আঘাত এবং রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে ধস্তাধস্তির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে কিনা, তার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কেমিক্যাল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে যৌন ও পায়ু পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের আগে আনুশকা নূরকে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা সেটি কেমিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে।

এর আগে বয়স নির্ধারনের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহের এক্স-রেসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যান।

ওই স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন। ধর্ষণের পর হত্যার দায় স্বীকার করে শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে দিহান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) আসামি করে ছাত্রীর বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এফএ/পি

RTV Drama
RTVPLUS