logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ৯ মাঘ ১৪২৭

রোববার বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

The foundation stone of Bangabandhu Railway Bridge was laid at midnight
রাত পোহালেই বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুরু হতে যাচ্ছে যমুনা নদীর উপর ডাবল লাইনের বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিফলক উন্মোচন করবেন। সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে দেশের রেল যোগাযোগে হবে নতুন মাত্রা। কমবে ভোগান্তি। বাঁচবে সময়। ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে আশীর্বাদ হিসেবে ধরা দিবে এ রেলসেতু। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। 

রেলওয়ের পাশাপাশি কাজের তদারকিতে রয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা প্রশাসন। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির সার্বক্ষণিক কাজের মনিটরিং করছেন। 
১৯৯৮ সালে ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণ-পাশ্চমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে যমুনা নদীর উপর নির্মিত হয় বঙ্গবন্ধু সেতু। সড়কের পাশাপাশি সেতুটিতে যোগ হয় রেল সংযোগও। ২০০৮ সালে সেতুতে ফাটল দেখা দেয়ায় কচ্ছপগতিতে শুরু হয় রেল চলাচল। আর এ কারণে সেতুতে ঘটে বড় ধরনের কয়েকটি দুর্ঘটনা। অল্পের জন্য রক্ষা পায় যাত্রীরা। রেল চলাচল করায় বঙ্গবন্ধু সেতু রয়েছে হুমকির মুখে। সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে প্রতিদিন গড়ে ১৬ জোড়া আন্তঃনগর রেল পারাপার হয়। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। এছাড়াও সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, দীর্ঘ সময়। এতে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বঙ্গবন্ধু সেতুকে রক্ষাকরণ ও যাত্রীদের দুর্ভোগ দূর করতে যমুনা নদীর উপর আলাদা রেলসেতু নির্মাণ করা উদ্যোগ নেয় সরকার। যমুনায় নতুন রেলসেতু নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। জাপানের জাইকার সহায়তায় সেতুটি নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। আগামী ২০২৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।  

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, পদ্মা সেতুর মতো বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মাণ বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকার উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে এটা তারই ফসল। রেলসেতু চালু হলে বঙ্গবন্ধু সেতুকে রক্ষাকরণ ও যাত্রীদের দুর্ভোগ দূর হবে। তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে। রেলসেতু নির্মাণ হলে সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না যাত্রীদের। কমে আসবে দুর্ভোগ। কোনো প্রকার সিডিউল বিপর্যয় ঘটবে না।

রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মাণসহ জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এতে করে যাত্রীদের সেবারমান অনেক উন্নত হবে।
পি

RTV Drama
RTVPLUS