smc
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৫ কার্তিক ১৪২৭

এবার ওসি প্রদীপের ৭ ইন্ধনদাতার বিরুদ্ধে মামলা

  আরটিভি নিউজ

|  ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০১ | আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯
Pradeep Kumar Das
প্রদীপ কুমার দাশ
কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহতের ঘটনায় আলোচনায় আসা টেকনাফের বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অপরাধ কর্মের ‘ইন্ধনদাতা’ চিহ্নিত করে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের ছোট বোন ফাতিমা খানম। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মাসুম খান মামলাটি রেকর্ড করেন। মামলায় অপহরণ, ডাকাতি, জোরপূর্বক স্ট্যাম্প আদায়সহ বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটিতে টেকনাফের হ্নীলা ফুলের ডেইলের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও থানার দালালখ্যাত মৃত তজর মুল্লুকের ছেলে আবুল কালাম প্রকাশ আলম, হ্নীলা নয়া বাজার পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মফিজ আহমদ ইকবাল প্রকাশ গুটি মফিজ, ফুলের ডেইলের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে জহিরুল ইসলাম, একই এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে দলিলুর রহমান, পানখালীর মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে সরওয়ার কামাল, ফুলের ডেইলের শরাফত আহমদের ছেলে নুরুল আবছার ও মৃত আবুল বশরের ছেলে শফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী ফাতেমা খানম অভিযোগ করেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মাদকের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসি প্রদীপদের সঙ্গে আতাত করে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে তার বড় ভাই সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে অস্ত্রের মুখে তুলে এনে প্রদীপের সঙ্গে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। এরপর সাজানো মামলা দিয়ে সাংবাদিক ফরিদুলকে কারাগারে পাঠানোর পর তারা পরস্পর যোগসাজশে বাদীর কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার বসতবাড়িতে ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আকস্মিকভাবে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

এসময় তারা বাদীর অপর এক বোনকে রড দিয়ে আঘাতের পর আঘাত করে ক্ষান্ত হননি, মুখে কাপড় ঢুকিয়ে দিয়ে মাটিতে ফেলে রাখে। আসামিরা ঘটনার রাতে বাদী এবং তার ছোট বোনের পাঁচ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৭৫ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল সেট ও বাড়ির জরুরি কাগজপত্র লুট করে।

এরপর আসামিরা বাদীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে তিনশ টাকার একটি ননজুডিশিয়াল খালি স্ট্যাম্পের শিরোভাগে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ঘটনার বিষয়ে কাউকে বললে পরিণাম ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দিয়ে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে লুণ্ঠিত মালামালসহ পালিয়ে যায়।

বাদীর মতে, আসামিরা টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ওসির দালাল, মাদক ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাদী ও তার পরিবারকে নজরদারিতে রাখার পাশাপাশি বড় ভাই সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা কারাগারে থাকা এবং প্রশাসনিকভাবে অনুকূল পরিবেশ না থাকায় মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়।

কক্সবাজার থানা পুলিশ জানিয়েছে, সংঘটিত ঘটনায় বিলম্ব হলেও মামলা রেকর্ড হয়ে যাওয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সদ্য কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদ এ ব্যাপারে জানান, ওসি প্রদীপের গ্রুপ আমাকে তুলে এনে ৬টি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১১ মাস ৫ দিন আমি কারাগারে ছিলাম। এরমধ্যে মাদক ব্যবসায়ীরা আমার পরিবারের ওপর অন্যায়, জুলুম, নির্যাতন ও লুটপাট চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: ফুলের রশি দিয়ে গাড়ি টেনে এসপি মাসুদকে বিদায় দিলেন পুলিশ সদস্যরা

কেএফ/জিএ 

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৪০৩০৭৯ ৩১৯৭৩৩ ৫৮৬১
বিশ্ব ৪,৪৩,৫৭,৬৭১ ৩,২৫,০৫,১৫৫ ১১,৭৩,৮০৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়