logo
  • ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭

‘এক মাস হয় নাই বাঁধত থাকি বাড়ি আইছি’ (ভিডিও)

  স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম, আরটিভি নিউজ

|  ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:০০ | আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৫১
What will, we do this time in Ban Isle?, rtv online
কুড়িগ্রামের ধরলা পাড়ের মানুষ চতুর্থ দফার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। গেলো তিন দিন ধরে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।বিশেষ করে ধরলা নদীর পানি গেলো দুই দিনে অনেক বেড়ে এখন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ বুধবার কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা ও ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বাড়লেও ধরলা নদীর পানি গেলো ২৪ ঘণ্টায় বেড়ে বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, তিস্তা নদীর পানি বাড়লেও এখন বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে নতুন করে ধরলা নদীর পাড়ে থাকা মানুষজন ফের চতুর্থ দফা বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে ধরলা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফলে কয়েক হাজার  নদী পাড়ের মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এই বছরে  চতুর্থবারের মতো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা সবার।

ধরলা পাড়ের বাসিন্দা আব্দুর রহমান মিয়া আরটিভি নিউজকে জানান, এক মাসে হয় নাই বাঁধত থাকি বাড়ি আইছি। এলা ধরলার পানি ফির বাড়তাছে। বান আইসলে এবার হামরা কী করম।

এদিকে, সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩০ মিটার অংশ পুনরায় ভেঙে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে উলিপুর উপজেলার থেতরাই, চর বজরা ও গাইবান্ধা জেলার কাশিমবাজার এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম নদী ভাঙন। এসব এলাকায় পাকা রাস্তার তিন মিটার নদীগর্ভে ভেঙে গেছে।

আজ বুধবার সকালে সারডোবের বাসিন্দারা জানান, ধরলা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে সদর উপজেলার মোগলবাসা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। যেভাবে নদীর পানি বাড়ছে তাতে সবকিছু ভেঙে নিয়ে যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে জানান, গেলা কয়েক দিন যাবত ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে সেখানকার উজানের পানি দ্রুত নেমে আসায় কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবগুলো নদ-নদীর পানি বাড়লেও এখন ধরলা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ধরলার পানি আরও দুই একদিন বাড়বে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান আরটিভি নিউজকে জানান, ধরলা নদীর পানি বেড়ে নদী তীরবর্তী ১০৫ হেক্টর জমির সদ্য রোপণকৃত আমন ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম আরটিভি নিউজকে জানান, বন্যার খবর ইতোমধ্যেই ত্রাণ দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিবের নলেজে রয়েছে। বন্যা ও ভাঙনকবলিতদের চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জেবি

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৫৫৪৯৩ ২৬৫০৯২ ৫০৭২
বিশ্ব ৩,২১,৯৬,৬৫৫ ২,৩৭,৫১,১৩৪ ৯,৮৩,৬০৯
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়