logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৪ আশ্বিন ১৪২৭

জাহাঙ্গীরের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ইউএনও ওয়াহিদা (ভিডিও)

|  ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:২১ | আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৪২
uno, land,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম
ঘোড়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান শাহেন শাহের ছত্রছায়ায় যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর ছিলেন টেন্ডারবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসাসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডের মূল হোতা। আর এসব অবৈধ কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম। ইউএনও হত্যাচেষ্টায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কের সংশ্লিষ্টতার কথা বার বার উঠে আসলেও র‌্যাবের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ায় এ নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অবশ্য ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই জাহাঙ্গীর লাপাত্তা রয়েছে।

জাহাঙ্গীর ও তার বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জমি দখল ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল বলে অভিযোগ আছে। এছাড়া মাথার উপর রাজনৈতিক বড়ভাই, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু রাফে খন্দকার শাহেন শাহ’র আশীর্বাদ থাকায় নানা অপকর্ম করেও পার পেয়ে যেতেন বলেও এলাকাবাসীর অভিযোগ। আর তার এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে মুখ খোলার সাহস ছিল না কারও। তবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম জাহাঙ্গীরের অনৈতিক কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ান।

এমন প্রেক্ষাপটে ইউএনও’র বাড়িতে হামলার ঘটনায় জাহাঙ্গীরকে আটক করা হলে এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।তবে র‌্যাবের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে সবাই আবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী একজন বলেন, ২০১৭ সালে এলাকায় তিন একর জমি ক্রয় করি। সে আমার এই জমিটি দখল করে রাখছে এবং সেখানে বালু, ইট ও একটা দোকান তৈরি করেছে। আজ পর্যন্ত সে ওই জমির দখল ছাড়ে নাই। তারা সব ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। যদি একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর তারা হামলা করতে পারে তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে। নিরাপত্তা কোথায়।

এসব অভিযোগের কথা অস্বীকার করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রাফে খন্দকার শাহেন শাহ।

তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখেন আমি কোনও অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত আছি কিনা। আমিও চাই তদন্ত সাপেক্ষে যারা অপরাধী তাদের শাস্তি হোক।

ঘোড়াঘাট পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলন বলেন, রমজানে সরকারি ত্রাণ এবং এমপি এর ব্যক্তিগত ত্রাণ বিতরণের সময় আমি জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে হামলার শিকার হই। আজ যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর হামলা হয়েছে আমি চাই তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।

দিনাজপুর ৬ এর সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, উপজেলা কমিটি ভেঙে দিতে জেলা যুবলীগ কমিটির নেতাদের বার বার তাগাদা দিয়েও কোন কাজ হয়নি। যারা যারা দায়িত্বে ছিলেন এবং আসামি তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশেষ করে যুবলীগের আহ্বায়ককে বহিষ্কার করা হয়েছে। এটা যদি আরও আগে করা হতো তাহলে এখন যে সবাই বলছে যুবলীগের নেতা এই কাজ করেছে সেটা শুনতে হত না।

এলাকায় শান্তি ফেরাতে জাহাঙ্গীরসহ তার বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত আইনের আওতায় নেয়া হবে বলে আশা স্থানীয়দের।

এসএ/ এমকে

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৪৪২৬৪ ২৫০৪১২ ৪৮৫৯
বিশ্ব ৩,০১,২৬,০২০ ২,১৮,৭৪,৯৫৭ ৯,৪৬,৭১২
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়