• ঢাকা সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
logo

‘গুলি করার আগে কী বিষয়ে তর্ক হয়েছিল নিশ্চিত নয়’

আরটিভি নিউজ

  ০৯ জুন ২০২৪, ১৬:৫০
ড. খ. মহিদ উদ্দিন
ছবি : সংগৃহীত

পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের সঙ্গে তর্কাতর্কির ঘটনায় তাকে উদ্দেশ করে ৮-৯ রাউন্ড গুলি ছোড়েন আরেক কনস্টেবল কাউসার আহমেদ। তবে গুলি করার আগে তাদের মধ্যে কী বিষয়ে তর্ক হয়েছিল তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।

রোববার (৯ জুন) দুপুরে ডিএমপি সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, দুই পুলিশ সদস্যের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই। কাউসারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি কিন্তু বিরোধের কোনো তথ্য পাইনি। পাশাপাশি অভিযুক্ত কাউসারের গত এক-দুই মাসের ডিউটির রেকর্ড দেখেছি। রেকর্ডে দেখা গেছে কাউসার যথাযথভাবে ডিউটি করেছেন। গুলি করার আগে তাদের মধ্যে কী বিষয়ে তর্ক হয়েছিল এখনো তা নিশ্চিত হতে পারিনি আমরা। সেটি পরে তদন্তে জানা যাবে।

তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে অভিযুক্ত কনস্টেবল কাউসার আহমেদ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গুলি করেই তিনি হতভম্ব। এ কারণে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন তিনি- ‘এটা কীভাবে হয়ে গেল। আমি জানি না।’ প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে ৮ থেকে ৯ রাউন্ড গুলি তিনি ছুড়েছেন। এর কম-বেশি হতে পারে। নিজের সহকর্মীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটার পর তিনি মানসিকভাবে নার্ভাস থাকেন। যে কারণে ঘটনা ঘটার পরও অস্ত্র রেখে কনস্টেবল কাউসার সেখানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। কারণ তিনি হয়ত স্ট্রেস নিতে পারছিলেন না। ঘটনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন হয়ত কত বড় অন্যায় ও অমানবিক কাজ করে ফেলেছেন। এক-দুদিন গেলে বোঝা যাবে গুলি করার কারণ।

অতিরিক্ত ডিউটির কারণে কনস্টেবল কাউসার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, না। ডিউটির কারণে কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। আর এখন কোথাও ডিউটির অতিরিক্ত চাপ নেই। স্বাভাবিকভাবেই ডিউটি করছেন সবাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাউন্সেলিংয়ের সিস্টেম নেই। তবে আমাদের নিয়মিত ব্রিফিংগুলোতে কী করা যাবে, কী করা যাবে না সে সম্পর্কে বলা হয়। এটাও এক ধরনের কাউন্সেলিং।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর বারিধারায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে তর্কাতর্কির ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের গুলিতে নিহত হন আরেক পুলিশ সদস্য মনিরুল ইসলাম। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য হলেন কনস্টেবল কাউসার আহমেদ। তর্কাতর্কির পর উত্তেজিত হয়ে কনস্টেবল কাউসার সহকর্মী মনিরুলকে উদ্দেশ করে ৮-৯ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে জানা গেছে।

মন্তব্য করুন

daraz
  • রাজধানী এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা: যা বলল সেই পুলিশ কনস্টেবলের পরিবার
পুলিশসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল
পুলিশ কনস্টেবল শুরুজয়ের রাজকীয় বিদায়